<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<!-- generator="siteadmin/" -->
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/cloud/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	>

<channel>
	<title>বঙ্গ-Pedia</title>
	<link>https://www.bongo-pedia.com</link>
	<description>বাংলার মনিষী</description>
	<pubDate>Sun, 21 Jun 2026 07:52:55 +0000</pubDate>
	<generator>http://dotsilicon.com?v=18.1</generator>
	<language>en</language>
			<item>
		<title>সাহাবুদ্দিন আহমদ (Shahabuddin Ahmed)</title>
		<link>https://www.bongo-pedia.com/2653</link>
		<comments>https://www.bongo-pedia.com/2653#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 21 Jun 2026 07:52:55 +0000</pubDate>
		<dc:creator>shafiqur</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[জীবনী]]></category>

		<category><![CDATA[সাহাবুদ্দিন আহমদ (Shahabuddin Ahmed)]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.bongo-pedia.com/2653</guid>
		<description><![CDATA[
বিচারপতি সাহাবুদ্দিন আহমদ (১ ফেব্রুয়ারি ১৯৩০ – ১৯ মার্চ ২০২২) ছিলেন বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থা ও রাষ্ট্রজীবনের এক অনন্য ব্যক্তিত্ব। তিনি ছিলেন দেশের ৬ষ্ঠ প্রধান বিচারপতি, একজন প্রাজ্ঞ আইনবিদ এবং বাংলাদেশের ইতিহাসে দু’বার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনকারী বিরল ব্যক্তিত্বদের একজন। প্রথমবার তিনি ১৯৯০ সালের গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সংকটময় সময়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান হিসেবে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন; দ্বিতীয়বার ১৯৯৬ ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.bongo-pedia.com/cloud/archives/2026/06/bongo-newspreshabuddin-thumbnail.JPG" alt="সাহাবুদ্দিন আহমদ (Shahabuddin Ahmed)" /></p>
<p>বিচারপতি সাহাবুদ্দিন আহমদ (১ ফেব্রুয়ারি ১৯৩০ – ১৯ মার্চ ২০২২) ছিলেন বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থা ও রাষ্ট্রজীবনের এক অনন্য ব্যক্তিত্ব। তিনি ছিলেন দেশের ৬ষ্ঠ প্রধান বিচারপতি, একজন প্রাজ্ঞ আইনবিদ এবং বাংলাদেশের ইতিহাসে দু’বার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনকারী বিরল ব্যক্তিত্বদের একজন। প্রথমবার তিনি ১৯৯০ সালের গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সংকটময় সময়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান হিসেবে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন; দ্বিতীয়বার ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত পূর্ণ মেয়াদে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ছিলেন। তাঁর সততা, নিরপেক্ষতা, সংযমী ব্যক্তিত্ব ও সাংবিধানিক দায়বদ্ধতা তাঁকে দেশের রাজনৈতিক ও বিচারিক ইতিহাসে এক বিশেষ মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করেছে।</p>
<p>সাহাবুদ্দিন আহমদ ১৯৩০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি নেত্রকোণা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার পাইকুড়া ইউনিয়নের পেমই গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা তালুকদার রিসাত আহমদ ছিলেন সমাজসেবী ও জনহিতৈষী ব্যক্তি। শৈশব ও কৈশোরের একটি বড় অংশ তিনি নান্দাইলে তাঁর বোনের বাড়িতে কাটান। পারিবারিক পরিবেশে শিক্ষা, শৃঙ্খলা ও মানবিক মূল্যবোধের চর্চা তাঁর ব্যক্তিত্ব গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।</p>
<p>তাঁর সহধর্মিণী আনোয়ারা আহমদ ২০১৮ সালের ১৮ জানুয়ারি মৃত্যুবরণ করেন। তাঁদের সন্তানদের মধ্যে বড় মেয়ে অধ্যাপক ড. সিতারা পারভীন ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক; তিনি ২০০৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রে এক সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান। অন্য সন্তানদের মধ্যে শাহানা স্মিথ, সামিয়া পারভীন, শিবলী আহমদ ও সোহেল আহমদ নিজ নিজ পেশায় প্রতিষ্ঠিত ছিলেন।</p>
<p>সাহাবুদ্দিন আহমদ ১৯৪৫ সালে নান্দাইলের চন্ডীপাশা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে প্রথম বিভাগে ম্যাট্রিকুলেশন পাস করেন। এরপর ১৯৪৮ সালে কিশোরগঞ্জের গুরুদয়াল কলেজ থেকে আইএ সম্পন্ন করে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৫১ সালে অর্থনীতিতে বিএ (অনার্স) এবং ১৯৫২ সালে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।</p>
<p>পরবর্তীতে ১৯৫৪ সালে তৎকালীন পাকিস্তান সিভিল সার্ভিস (সিএসপি) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে তিনি লাহোরের সিভিল সার্ভিস একাডেমিতে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। পরে যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে জনপ্রশাসন বিষয়ে উচ্চতর প্রশিক্ষণও লাভ করেন। এই শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ তাঁর প্রশাসনিক দক্ষতা, বিশ্লেষণী মনন এবং রাষ্ট্রবিষয়ক বোধকে সমৃদ্ধ করে।</p>
<p>সাহাবুদ্দিন আহমদের কর্মজীবনের সূচনা হয় ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে। পরে তিনি গোপালগঞ্জ ও নাটোরে মহকুমা কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং সহকারী জেলা প্রশাসক হিসেবেও কাজ করেন। তবে তাঁর কর্মজীবনের প্রধান পরিচয় নির্মিত হয় বিচার বিভাগের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার মধ্য দিয়ে। ১৯৬০ সালে তিনি প্রশাসন থেকে বিচার বিভাগে বদলি হন এবং দ্রুতই বিচারিক দক্ষতা, নিরপেক্ষতা ও প্রজ্ঞার জন্য পরিচিতি লাভ করেন।</p>
<p>তিনি ঢাকা ও বরিশালে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ এবং কুমিল্লা ও চট্টগ্রামে জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৬৭ সালে তিনি ঢাকা হাইকোর্টের রেজিস্ট্রার নিযুক্ত হন। স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের ২০ জানুয়ারি তিনি হাইকোর্টের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন। ১৯৭৩-৭৪ সালে শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে ১৯৮০ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি তিনি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি নিযুক্ত হন এবং ধীরে ধীরে দেশের বিচারব্যবস্থার শীর্ষ পর্যায়ে পৌঁছে যান।</p>
<p>তাঁর বহু রায় ঢাকা ল রিপোর্ট, বাংলাদেশ লিগ্যাল ডিসিশনস ও বাংলাদেশ কেস রিপোর্টসে প্রকাশিত হয়েছে। চাকরিসংক্রান্ত বিরোধ, নির্বাচন-সংক্রান্ত মামলা, শ্রম ব্যবস্থাপনা এবং সাংবিধানিক প্রশ্নে তাঁর রায়গুলো বিচারব্যবস্থায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করে। বিশেষ করে সংবিধানের অষ্টম সংশোধনী সম্পর্কিত মামলায় তাঁর রায়কে যুগান্তকারী বলে বিবেচনা করা হয়, যা বাংলাদেশের সংবিধান-ব্যাখ্যা ও সাংবিধানিক ভারসাম্য নিয়ে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে। ১৯৮৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘটিত রক্তক্ষয়ী ঘটনার তদন্ত কমিটির প্রধান হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেন।</p>
<p>বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে সাহাবুদ্দিন আহমদের নাম বিশেষভাবে উচ্চারিত হয় ১৯৯০ সালের গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সংকটময় সময়ে। ৫ ডিসেম্বর ১৯৯০ উপ-রাষ্ট্রপতি মওদুদ আহমদের পদত্যাগের পর তিনি উপ-রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে আসীন হন। পরদিন, ৬ ডিসেম্বর, সামরিক শাসক হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের পতনের পর দেশে সৃষ্ট রাজনৈতিক অচলাবস্থার মধ্যে রাষ্ট্রক্ষমতার প্রশ্নে প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো যখন ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারছিল না, তখন বিচারপতি সাহাবুদ্দিন আহমদের নামই সকল পক্ষের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়ে ওঠে।</p>
<p>তিনি অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং দেশকে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পথে এগিয়ে নেন। ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার পর তিনি রাষ্ট্রপতির পদ ছেড়ে পুনরায় বিচার বিভাগে ফিরে যান এবং সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এই সময়কার তাঁর ভূমিকা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণে এক মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত।</p>
<p>১৯৯৬ সালের ২৩ জুলাই সাহাবুদ্দিন আহমদ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। সংসদীয় শাসনব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতির সাংবিধানিক ক্ষমতা সীমিত হলেও, তিনি এই পদে থেকে সততা, প্রজ্ঞা ও নৈতিক দৃঢ়তার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত তাঁর রাষ্ট্রপতিত্বকাল ছিল সংযম, ভারসাম্য ও সাংবিধানিক শালীনতার এক স্মরণীয় অধ্যায়।</p>
<p>রাষ্ট্রপতি হিসেবে তিনি দলীয় রাজনীতির ঊর্ধ্বে থেকে রাষ্ট্রের অভিভাবকসুলভ ভূমিকা পালনের চেষ্টা করেন। তাঁর আচরণ, বক্তব্য ও সিদ্ধান্তে প্রতিফলিত হয়েছে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সাংবিধানিক প্রধানের মর্যাদা, নিরপেক্ষতা ও প্রাতিষ্ঠানিক ভারসাম্য রক্ষার গভীর বোধ। রাজনৈতিক অস্থিরতা ও পারস্পরিক অবিশ্বাসের সময়ে তিনি রাষ্ট্রপতি পদকে সংযম ও মর্যাদার সঙ্গে ধারণ করেছিলেন।</p>
<p>রাষ্ট্রপতি থাকাকালে সাহাবুদ্দিন আহমদ নিজের স্বাধীন অবস্থান ও সাংবিধানিক বিবেক বজায় রাখতে সচেষ্ট ছিলেন। বিশেষত ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর তিনি জননিরাপত্তা আইন নামে একটি বিতর্কিত আইনে স্বাক্ষর করতে অস্বীকৃতি জানান। এই সিদ্ধান্তের ফলে সরকারের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব ও মতবিরোধ তৈরি হয়। তবে তিনি রাষ্ট্রপতির সাংবিধানিক মর্যাদা ও নিরপেক্ষতার প্রশ্নে আপস করেননি।</p>
<p>পরবর্তী সময়ে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক আনিসুজ্জামান মন্তব্য করেছিলেন যে, রাষ্ট্রপতি হিসেবে সরকারি প্রভাবমুক্ত থেকে কাজ করতে চাওয়ার কারণেই তৎকালীন ক্ষমতাসীন মহলের একাংশ তাঁর প্রতি বিরূপ হয়েছিল। কিন্তু সাহাবুদ্দিন আহমদ দেশের কল্যাণের প্রশ্নে নিজের বিবেকসম্মত অবস্থান বজায় রেখেছিলেন—এটাই তাঁর রাষ্ট্রনায়কোচিত চরিত্রের অন্যতম উজ্জ্বল দিক।</p>
<p>বিচারপতি সাহাবুদ্দিন আহমদ ২০২২ সালের ১৯ মার্চ ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৯২ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর মৃত্যুতে বাংলাদেশ হারায় এক সৎ, সংযমী ও প্রাজ্ঞ রাষ্ট্রনায়ককে, যিনি বিচারব্যবস্থা ও রাষ্ট্র পরিচালনা—উভয় ক্ষেত্রেই সততার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন। তাঁকে বনানী কবরস্থানে তাঁর স্ত্রীর কবরের পাশে দাফন করা হয়।</p>
<p>বিচারপতি সাহাবুদ্দিন আহমদ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও বিচারিক ইতিহাসে এক বিরল মর্যাদার নাম। তিনি এমন এক সময়ে রাষ্ট্রের নেতৃত্ব দিয়েছেন, যখন দেশ গণতান্ত্রিক রূপান্তরের সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে ছিল। বিচারক হিসেবে তাঁর নিরপেক্ষতা, রাষ্ট্রপতি হিসেবে তাঁর সংযম, এবং ব্যক্তি হিসেবে তাঁর সততা তাঁকে অন্যদের থেকে স্বতন্ত্র করেছে।</p>
<p>বাংলাদেশের রাষ্ট্রজীবনে তিনি ছিলেন এক নীরব কিন্তু দৃঢ় উপস্থিতি—যিনি ক্ষমতার প্রদর্শনের চেয়ে দায়িত্ববোধ, নৈতিকতা ও প্রাতিষ্ঠানিক ভারসাম্যকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন। তাঁর জীবন ও কর্ম প্রমাণ করে, রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদেও থেকে নির্লোভ, শালীন ও নীতিবান থাকা সম্ভব। সেই অর্থে বিচারপতি সাহাবুদ্দিন আহমদ কেবল একজন প্রধান বিচারপতি বা রাষ্ট্রপতি নন; তিনি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক ইতিহাসের এক উজ্জ্বল অধ্যায়।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.bongo-pedia.com/2653/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>ফেরদৌস আহমেদ (Ferdous Ahmed)</title>
		<link>https://www.bongo-pedia.com/2651</link>
		<comments>https://www.bongo-pedia.com/2651#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 07 Jun 2026 11:02:01 +0000</pubDate>
		<dc:creator>shafiqur</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[জীবনী]]></category>

		<category><![CDATA[ফেরদৌস আহমেদ (Ferdous Ahmed)]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.bongo-pedia.com/2651</guid>
		<description><![CDATA[
ফেরদৌস আহমেদ (Ferdous Ahmed) একজন বাংলাদেশি চলচ্চিত্র অভিনেতা, প্রযোজক ও রাজনীতিক, যিনি দুই বাংলার (বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ) সিনেমায় অভিনয়ের জন্য সমানভাবে পরিচিত। তিনি পাঁচবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে শ্রেষ্ঠ অভিনেতার সম্মান পেয়েছেন এবং ২০২৪ সালে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।
•	জন্ম: ৭ জুন ১৯৭৪, মুন্সিগঞ্জ, বাংলাদেশ
•	শিক্ষা: গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
•	পেশা: অভিনেতা, প্রযোজক, রাজনীতিক
•	প্রথম চলচ্চিত্র: ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.bongo-pedia.com/cloud/archives/2026/06/bongo-newsferdous.JPG" alt="ফেরদৌস আহমেদ (Ferdous Ahmed)" /></p>
<p>ফেরদৌস আহমেদ (Ferdous Ahmed) একজন বাংলাদেশি চলচ্চিত্র অভিনেতা, প্রযোজক ও রাজনীতিক, যিনি দুই বাংলার (বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ) সিনেমায় অভিনয়ের জন্য সমানভাবে পরিচিত। তিনি পাঁচবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে শ্রেষ্ঠ অভিনেতার সম্মান পেয়েছেন এবং ২০২৪ সালে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।</p>
<p>•	জন্ম: ৭ জুন ১৯৭৪, মুন্সিগঞ্জ, বাংলাদেশ<br />
•	শিক্ষা: গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়<br />
•	পেশা: অভিনেতা, প্রযোজক, রাজনীতিক<br />
•	প্রথম চলচ্চিত্র: হঠাৎ বৃষ্টি (১৯৯৮)<br />
•	জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার: ৫ বার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা</p>
<p>ফেরদৌস আহমেদের চলচ্চিত্রজীবন শুরু হয় কোরিওগ্রাফার আমির হোসেন বাবুর হাত ধরে এবং পরিচালক বাসু চ্যাটার্জির হঠাৎ বৃষ্টি (১৯৯৮) ছবির মাধ্যমে তিনি একক নায়ক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। ছবিটি বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত হয় এবং বাণিজ্যিকভাবে ব্যাপক সাফল্য পায়। পরবর্তী সময়ে তিনি চুপি চুপি, চন্দ্রকথা, গেরিলা, এক কাপ চা, পুত্রসহ শতাধিক ছবিতে অভিনয় করেন।</p>
<p>তিনি নিজস্ব প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান “নুজহাত ফিল্মস” ও টেলিভিশন প্রোডাকশন হাউস “সিনেমাস্কোপ”-এর প্রতিষ্ঠাতা। তার প্রযোজিত এক কাপ চা চলচ্চিত্রটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করে। এছাড়া তিনি বিজ্ঞাপনচিত্র, মডেলিং ও টেলিভিশন অনুষ্ঠানে উপস্থাপনায় যুক্ত ছিলেন।</p>
<p>২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেরদৌস আহমেদ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-এর মনোনীত প্রার্থী হিসেবে ঢাকা-১০ আসনে নির্বাচিত হন। এর আগে তিনি ২০১৯ সালে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনী প্রচারে অংশ নিয়ে আলোচনায় আসেন। পুরস্কার ও সম্মাননা<br />
ফেরদৌস হঠাৎ বৃষ্টি, গঙ্গাযাত্রা, কুসুম কুসুম প্রেম, এক কাপ চা ও পুত্র ছবির জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেছেন। এছাড়া লাক্স-চ্যানেল আই পারফরম্যান্স অ্যাওয়ার্ড, মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার, উজালা আনন্দলোক ও উত্তমকুমার স্মৃতি পুরস্কারসহ বহু সম্মান পেয়েছেন।</p>
<p>তিনি ২০০৪ সালে তানিয়া ফেরদৌসকে বিয়ে করেন এবং তাঁদের দুই সন্তান রয়েছে। তাঁর জীবন ও কর্ম দুই দশকেরও বেশি সময়জুড়ে বাংলাদেশের মূলধারার সিনেমাকে প্রভাবিত করেছে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.bongo-pedia.com/2651/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ (Muhammad Shahidullah)</title>
		<link>https://www.bongo-pedia.com/2649</link>
		<comments>https://www.bongo-pedia.com/2649#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 07 Jun 2026 10:40:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>shafiqur</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[জীবনী]]></category>

		<category><![CDATA[ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ Muhammad Shahidullah]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.bongo-pedia.com/2649</guid>
		<description><![CDATA[
ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ছিলেন একাধারে বহুভাষাবিদ, ভাষাবিজ্ঞানী, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, দার্শনিক ও সাহিত্যিক। তিনি প্রধানত বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ইতিহাস রচনা, বাংলা ব্যাকরণ চর্চা এবং বাংলা পঞ্জিকা সংস্কারে তাঁর অনন্য অবদানের জন্য স্মরণীয়।
মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ১৮৮৫ সালের ১০ জুলাই ভারতের পশ্চিমবঙ্গের অবিভক্ত চব্বিশ পরগনা জেলার পেয়ারা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
তাঁর শিক্ষাজীবন অত্যন্ত কৃতিত্বপূর্ণ ও বৈচিত্র্যময়: এন্ট্রান্স ও এফ.এ: ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.bongo-pedia.com/cloud/archives/2026/06/bongo-newsshahidullah.JPG" alt="ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ (Muhammad Shahidullah)" /></p>
<p>ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ছিলেন একাধারে বহুভাষাবিদ, ভাষাবিজ্ঞানী, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, দার্শনিক ও সাহিত্যিক। তিনি প্রধানত বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ইতিহাস রচনা, বাংলা ব্যাকরণ চর্চা এবং বাংলা পঞ্জিকা সংস্কারে তাঁর অনন্য অবদানের জন্য স্মরণীয়।</p>
<p>মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ১৮৮৫ সালের ১০ জুলাই ভারতের পশ্চিমবঙ্গের অবিভক্ত চব্বিশ পরগনা জেলার পেয়ারা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।</p>
<p>তাঁর শিক্ষাজীবন অত্যন্ত কৃতিত্বপূর্ণ ও বৈচিত্র্যময়: এন্ট্রান্স ও এফ.এ: ১৯০৪ সালে হাওড়া জেলা স্কুল থেকে এন্ট্রান্স এবং ১৯০৬ সালে কলকাতা প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে এফ.এ (বর্তমান উচ্চমাধ্যমিকের সমমান) পাস করেন।</p>
<p>স্নাতক ও স্নাতকোত্তর: ১৯১০ সালে কলকাতার সিটি কলেজ থেকে সংস্কৃতে সম্মানসহ বি.এ ডিগ্রি লাভ করেন। উল্লেখ্য, ১৯১০ সালে পণ্ডিত সত্যব্রত সামশ্রমীর আপত্তির কারণে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে বেদ পঠনের অনুমতি দেয়নি। পরবর্তীতে স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায়ের প্রচেষ্টা এবং কলিকাতা উচ্চ আদালতের নির্দেশনায় তিনি বিশ্ববিদ্যালয়টিতে বেদপাঠের সুযোগ পান। এরপর ১৯১২ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে &#8216;তুলনামূলক ভাষাতত্ত্বে&#8217; (Comparative Philology) এম.এ ডিগ্রি অর্জন করেন।</p>
<p>উচ্চশিক্ষার্থে তিনি ফ্রান্সে যান এবং ১৯২৮ সালে প্যারিসের সর্বন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচ.ডি (ডক্টরেট) উপাধি লাভ করেন।<br />
তিনি ফুরফুরা শরীফের বিখ্যাত আধ্যাত্মিক শিক্ষক মোহাম্মদ আবু বকর সিদ্দিকির নিকট থেকে আধ্যাত্মিক শিক্ষা গ্রহণ করেন এবং খেলাফত লাভ করেন।</p>
<p>মুহম্মদ শহীদুল্লাহর কর্মজীবন শিক্ষকতা, গবেষণা, আইন ব্যবসা এবং অভিধান প্রণয়নসহ নানা বৈচিত্র্যে ভরপুর ছিল:</p>
<p>প্রাথমিক কর্মজীবন ও আইন ব্যবসা: ছাত্রাবস্থায় ১৯০৮-০৯ সালে তিনি যশোর জেলা স্কুলে শিক্ষকতা করেন। পরবর্তীতে সীতাকুণ্ড হাইস্কুলে কিছুদিন প্রধান শিক্ষক (১৯১৪-১৯১৫) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯১৫ থেকে ১৯১৯ সাল পর্যন্ত চব্বিশ পরগণার বসিরহাটে আইন ব্যবসায় নিয়োজিত ছিলেন।</p>
<p>বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে অধ্যাপনা: ১৯১৯ থেকে ১৯২১ সাল পর্যন্ত তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ডক্টর দীনেশ চন্দ্র সেনের সহকর্মী হিসেবে গবেষক পদে কাজ করেন। ১৯২১ সালে নবপ্রতিষ্ঠিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত ও বাংলা বিভাগে প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন। পাশাপাশি ১৯২২ থেকে ১৯২৪ সাল পর্যন্ত আইন বিভাগে খণ্ডকালীন শিক্ষকতা করেন। ১৯৩৭ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ও রিডার হিসেবে নিযুক্ত হন এবং ১৯৪৪ সালে সেখান থেকে অবসর গ্রহণ করেন।</p>
<p>অবসরোত্তর কর্মজীবন: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অবসরের পর তিনি বগুড়ার সরকারি আজিজুল হক কলেজে অধ্যক্ষ হিসেবে যোগদান করেন। ১৯৫৩ থেকে ১৯৫৫ সালে তিনি পুনরায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগে ফরাসি ভাষার খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে কাজ করেন। ১৯৫৫ সালে তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত ও পালি বিভাগে যোগদান করেন এবং ১৯৫৮ সালে চূড়ান্ত অবসর নেন।</p>
<p>মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ছিলেন এক অসাধারণ ভাষাতাত্ত্বিক। তিনি প্রায় ২৪টি ভাষা আয়ত্ত করেছিলেন, যার মধ্যে ১৮টি ভাষার ওপর তাঁর গভীর পাণ্ডিত্য ছিল। তাঁর জানা উল্লেখযোগ্য ভাষাসমূহ হলো— বাংলা, ইংরেজি, আরবি, ফারসি, উর্দু, সংস্কৃত, পালি, হিন্দি, পাঞ্জাবি, মারাঠি, গুজরাতি, কাশ্মীরি, নেপালি, ওড়িয়া, অসমীয়া, মৈথিলী, সিন্ধি, সিংহলি ও তিব্বতি।<br />
ভাষাতত্ত্বে অনন্য অবদানের জন্য তাঁকে &#8216;চলন্ত শব্দকল্পদ্রুম&#8217; বলা হতো। তিনি উর্দু ভাষার অভিধান প্রকল্পে সম্পাদক হিসেবে কাজ করেছেন। পরবর্তীতে বাংলা একাডেমিতে যোগ দিয়ে &#8216;পূর্ব পাকিস্তানি ভাষার আদর্শ অভিধান&#8217; (বাংলাদেশের আঞ্চলিক ভাষার অভিধান) প্রকল্পের সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৬১ থেকে ১৯৬৪ সাল পর্যন্ত তিনি বাংলা একাডেমির &#8216;ইসলামি বিশ্বকোষ&#8217; প্রকল্পের অস্থায়ী সম্পাদক ছিলেন।</p>
<p>১৯৬৩ সালে বাংলা একাডেমি কর্তৃক গঠিত &#8216;বাংলা একাডেমির পঞ্জিকার তারিখ বিন্যাস কমিটি&#8217;-র সভাপতি নিযুক্ত হন ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ। তাঁর যোগ্য নেতৃত্বে ঐতিহ্যবাহী বাংলা পঞ্জিকা একটি আধুনিক, পরিমার্জিত ও বিজ্ঞানসম্মত রূপ লাভ করে।</p>
<p>ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ছিলেন একজন খাঁটি বাঙালি ও ধর্মপ্রাণ মুসলমান। জাতিসত্তা সম্পর্কে তাঁর ঐতিহাসিক ও স্মরণীয় উক্তিটি হলো— &#8220;আমরা হিন্দু বা মুসলমান যেমন সত্য, তার চেয়ে বেশি সত্য আমরা বাঙ্গালী।&#8221;</p>
<p>বাংলা ভাষার পক্ষে অবস্থান: ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর থেকেই পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ফজলুর রহমান যখন বাংলাকে আরবি হরফে লেখার জোর প্রচারণা চালাচ্ছিলেন, তখন ১৯৪৮ সালের নিখিল পাকিস্তান শিক্ষক সম্মেলনে মুহম্মদ শহীদুল্লাহ এর তীব্র বিরোধিতা করেন। তিনি বাংলাকে অপরিবর্তিত রেখে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার পক্ষে জোরালো অবস্থান নেন।</p>
<p>আরবি ভাষা সংক্রান্ত মতবাদ: তিনি বিশ্বাস করতেন বাঙালিরা ইংরেজি শিক্ষার পাশাপাশি উর্দু শিখতে পারে। তবে তিনি এও মনে করতেন যে, যেদিন আরবি পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হবে, সেদিনই পাকিস্তান রাষ্ট্র সৃষ্টির প্রকৃত জাস্টিফিকেশন বা ন্যায়সংগত কারণ তৈরি হবে। এই লক্ষ্যে ১৯৪৯ সালে তিনি &#8216;পূর্ব পাকিস্তান আরবি ভাষা সংঘ&#8217;-এর সভাপতিত্ব গ্রহণ করেন এবং আরবীকে রাষ্ট্রভাষা করার সুপারিশসহ একটি খসড়া স্মারকলিপি অনুমোদন করেন।</p>
<p>ছাত্রজীবন থেকেই মুহম্মদ শহীদুল্লাহ সাহিত্যের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এম.এ পাসের পর তিনি &#8216;বঙ্গীয় মুসলিম সাহিত্য সমিতি&#8217;-র সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৪৮ সালে তিনি &#8216;পূর্ব পাকিস্তান সাহিত্য সম্মেলন&#8217;-এর সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর রচিত ও সম্পাদিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থসমূহ:</p>
<p>বাঙ্গালা ভাষার ইতিবৃত্ত</p>
<p>বাংলা সাহিত্যের কথা (২ খণ্ড)</p>
<p>বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও ব্যাকরণ পরিচয়</p>
<p>বাংলাদেশের আঞ্চলিক ভাষার অভিধান</p>
<p>ভাষা ও সাহিত্য</p>
<p>দীওয়ানে হাফিজ (১৯৩৮)</p>
<p>অমিয় শতক (১৯৪০)</p>
<p>রুবাইয়াত-ই-ওমর খৈয়াম (১৯৪২)</p>
<p>শিকওয়াহ ও সওয়াবে শিকওয়াহ (১৯৪২)</p>
<p>নবী করিম মুহাম্মাদ/মহানবী (১৯৪৬)</p>
<p>ইসলাম প্রসঙ্গ/বায়য়াত নামা (১৯৪৮)</p>
<p>বিদ্যাপতি শতক (১৯৫৪)</p>
<p>মহররম শরীফ</p>
<p>Buddhist Mystic Songs (১৯৬০)</p>
<p>Hundred Sayings of the Holy Prophet (১৯৪৫)</p>
<p>টেইল ফ্রম দি কুরআন</p>
<p>পুরস্কার, উপাধি ও সম্মাননা<br />
জ্ঞানতাপস ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ জীবদ্দশায় এবং মরণোত্তর বহু বিরল সম্মানে ভূষিত হন:</p>
<p>এমেরিটাস অধ্যাপক: ১৯৬৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসের প্রথম &#8216;এমেরিটাস অধ্যাপক&#8217; পদ লাভ করেন।</p>
<p>নাইট অফ দি অর্ডারস অফ আর্টস অ্যান্ড লেটার্স: ১৯৬৭ সালে ফরাসি সরকার তাঁকে এই মর্যাদাপূর্ণ সম্মাননা পদক প্রদান করে।</p>
<p>বিদ্যাবাচস্পতি: ঢাকা সংস্কৃত পরিষদ তাঁকে এই উপাধিতে ভূষিত করে।</p>
<p>ডি. লিট: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে মরণোত্তর সম্মানসূচক &#8216;ডি. লিট&#8217; উপাধি দেয়।</p>
<p>রাষ্ট্রীয় পুরস্কার: পাকিস্তান আমলে তিনি ‘প্রাইড অফ পারফরম্যান্স’ (১৯৫৮) এবং মরণোত্তর &#8216;হিলাল-ই-ইমতিয়াজ&#8217; খেতাব পান। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার তাঁকে ১৯৮০ সালে মরণোত্তর দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা &#8216;স্বাধীনতা পদক&#8217; প্রদান করে।<br />
(উল্লেখ্য, ইন্ডিয়ান কাউন্সিল ফর কালচারাল রিলেশন্স তাঁকে ফেলো বা সম্মানিত সদস্য মনোনীত করলেও তৎকালীন পাকিস্তান সরকারের অনুমতি না থাকায় তিনি তা গ্রহণ করতে পারেননি।)</p>
<p>জীবনাবসান<br />
১৯৬৯ সালের ১৩ জুলাই এই মহান মনীষী ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। তাঁকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হলের (তৎকালীন ঢাকা হল) পাশে সমাহিত করা হয়। তাঁর ভাষাতাত্ত্বিক অমর অবদানকে চিরস্মরণীয় করে রাখতে তৎকালীন &#8216;ঢাকা হল&#8217;-এর নাম পরিবর্তন করে &#8216;শহীদুল্লাহ হল&#8217; রাখা হয়। এছাড়া রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়েও তাঁর নামে একটি কলা ভবনের নামকরণ করা হয়েছে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.bongo-pedia.com/2649/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>মুনীর চৌধুরী(Munier Choudhury)</title>
		<link>https://www.bongo-pedia.com/2645</link>
		<comments>https://www.bongo-pedia.com/2645#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 25 May 2026 10:44:36 +0000</pubDate>
		<dc:creator>shafiqur</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[জীবনী]]></category>

		<category><![CDATA[মুনীর চৌধুরী(Munier Choudhury)]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.bongo-pedia.com/2645</guid>
		<description><![CDATA[
বাংলাদেশের শিক্ষা, সাহিত্য, নাট্যচর্চা ও ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসে মুনীর চৌধুরী এক অনন্য ও প্রভাবশালী নাম। তিনি ছিলেন একজন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, নাট্যকার, ভাষাবিজ্ঞানী, সাহিত্য সমালোচক এবং সাংস্কৃতিক আন্দোলনের অগ্রসৈনিক। আধুনিক বাংলা নাটকের বিকাশে তাঁর অসামান্য অবদান তাঁকে বাংলা সাহিত্যের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বদের কাতারে স্থান দিয়েছে। ভাষা আন্দোলন, সাংস্কৃতিক স্বাধীনতা ও বাঙালির আত্মপরিচয়ের প্রশ্নে তিনি ছিলেন দৃঢ়চেতা ও ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.bongo-pedia.com/cloud/archives/2026/05/bongo-newsmunir-thumbnail.JPG" alt="মুনীর চৌধুরী(Munier Choudhury)" /></p>
<p>বাংলাদেশের শিক্ষা, সাহিত্য, নাট্যচর্চা ও ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসে মুনীর চৌধুরী এক অনন্য ও প্রভাবশালী নাম। তিনি ছিলেন একজন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, নাট্যকার, ভাষাবিজ্ঞানী, সাহিত্য সমালোচক এবং সাংস্কৃতিক আন্দোলনের অগ্রসৈনিক। আধুনিক বাংলা নাটকের বিকাশে তাঁর অসামান্য অবদান তাঁকে বাংলা সাহিত্যের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বদের কাতারে স্থান দিয়েছে। ভাষা আন্দোলন, সাংস্কৃতিক স্বাধীনতা ও বাঙালির আত্মপরিচয়ের প্রশ্নে তিনি ছিলেন দৃঢ়চেতা ও আপসহীন। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের শেষ পর্যায়ে ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর পাকিস্তানি দোসর আল-বদর বাহিনীর হাতে নিহত হয়ে তিনি শহিদ বুদ্ধিজীবীদের অন্যতম হিসেবে ইতিহাসে অমর হয়ে আছেন।</p>
<p>মুনীর চৌধুরী জন্মগ্রহণ করেন ১৯২৫ সালের ২৭ নভেম্বর মানিকগঞ্জে। তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল নোয়াখালী জেলার চাটখিল অঞ্চলে। পিতা খান বাহাদুর আবদুল হালিম চৌধুরী ছিলেন তৎকালীন ব্রিটিশ সরকারের একজন উচ্চপদস্থ প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট। পরিবারে শিক্ষাবান্ধব ও সংস্কৃতিমনস্ক পরিবেশ থাকায় শৈশব থেকেই তিনি সাহিত্য, ভাষা ও জ্ঞানচর্চার প্রতি গভীর আগ্রহী হয়ে ওঠেন।</p>
<p>মুনীর চৌধুরী ১৯৪১ সালে ঢাকা কলেজিয়েট স্কুল থেকে ম্যাট্রিকুলেশন সম্পন্ন করেন। পরে তিনি আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইএসসি ডিগ্রি অর্জন করেন। উচ্চশিক্ষার জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। পরবর্তীকালে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যেও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন, যা তাঁর বহুমাত্রিক সাহিত্য ও ভাষাচর্চাকে সমৃদ্ধ করে।</p>
<p>১৯৫৮ সালে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভাষাতত্ত্বে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ে তাঁর গভীর জ্ঞান পরবর্তীকালে গবেষণা, শিক্ষকতা ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে বিশেষ ভূমিকা রাখে।</p>
<p>১৯৪৭ সালে খুলনার ব্রজলাল কলেজে শিক্ষকতার মাধ্যমে মুনীর চৌধুরীর কর্মজীবনের সূচনা ঘটে। পরবর্তীকালে তিনি জগন্নাথ কলেজে শিক্ষকতা করেন এবং পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেন। ইংরেজি ও বাংলা—উভয় বিভাগেই তিনি অধ্যাপনা করেন এবং শিক্ষার্থীদের কাছে একজন প্রজ্ঞাবান, বিশ্লেষণধর্মী ও অনুপ্রেরণাদায়ী শিক্ষক হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।</p>
<p>১৯৭১ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের ডিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। শিক্ষকতা জীবনে তিনি শুধু পাঠদানেই সীমাবদ্ধ ছিলেন না; বরং ভাষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও জাতীয় চেতনা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।</p>
<p>মুনীর চৌধুরী বাংলা নাট্যসাহিত্যের একজন শক্তিশালী রূপকার। তাঁর রচনায় সমাজবাস্তবতা, ইতিহাস, ভাষা আন্দোলন, মানবিক সংকট ও রাজনৈতিক চেতনার প্রতিফলন দেখা যায়। বিশেষত নাট্যরচনায় তিনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যে নতুন মাত্রা যোগ করেন।</p>
<p>তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত নাটক ‘কবর’, যা ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত এবং বাংলা নাট্যসাহিত্যের এক অনন্য সৃষ্টি হিসেবে বিবেচিত। উল্লেখযোগ্য অন্যান্য নাটকের মধ্যে রয়েছে ‘রক্তাক্ত প্রান্তর’, ‘চিঠি’, এবং ‘পলাশী ব্যারাক ও অন্যান্য’।</p>
<p>নাটকের পাশাপাশি তিনি সাহিত্য সমালোচনা ও ভাষাবিষয়ক গবেষণাতেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে মীর মানস, তুলনামূলক সমালোচনা এবং বাংলা গদ্যরীতি। ভাষা প্রযুক্তির উন্নয়নেও তিনি ভূমিকা রাখেন এবং বাংলা টাইপরাইটারের জন্য ‘মুনীর অপটিমা’ নামে নতুন কিবোর্ড বিন্যাস তৈরি করেন।</p>
<p>১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে মুনীর চৌধুরী সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। বাংলা ভাষার মর্যাদা রক্ষার দাবিতে আন্দোলনে যুক্ত থাকার কারণে পাকিস্তান সরকার তাঁকে কারারুদ্ধ করে। কারাগারে বন্দি অবস্থায়ই তিনি তাঁর কালজয়ী নাটক ‘কবর’ রচনা করেন, যা ভাষা আন্দোলনের সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের এক শক্তিশালী সাহিত্যিক দলিল।</p>
<p>তিনি পাকিস্তানি শাসকদের সাংস্কৃতিক নিপীড়নের বিরুদ্ধেও সোচ্চার ছিলেন। রবীন্দ্রসংগীত নিষিদ্ধ করার প্রচেষ্টা এবং বাংলা বর্ণমালা পরিবর্তনের উদ্যোগের বিরুদ্ধে তিনি প্রকাশ্যে প্রতিবাদ জানান। ১৯৭১ সালের অসহযোগ আন্দোলনের সময় পাকিস্তান সরকারের দেওয়া ‘সিতারা-ই-ইমতিয়াজ’ খেতাব প্রত্যাখ্যান করে তিনি প্রতিবাদের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।</p>
<p>বাংলাদেশের স্বাধীনতার মাত্র দুই দিন আগে, ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনীর সহযোগী আল-বদর সদস্যরা মুনীর চৌধুরীকে তাঁর বাসা থেকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। পরে তাঁকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। তিনি শহিদ বুদ্ধিজীবীদের অন্যতম হিসেবে বাংলাদেশের ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন।</p>
<p>তাঁর স্মৃতিকে সম্মান জানাতে দেশে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, সড়ক ও পুরস্কারের নামকরণ করা হয়েছে। ‘শহিদ মুনীর চৌধুরী সম্মাননা’, ‘শহিদ মুনীর চৌধুরী স্মৃতি পুরস্কার’ এবং ‘শহিদ মুনীর চৌধুরী সড়ক’ তাঁর অবদানের স্বীকৃতি বহন করে। ২০২০ সালে তাঁর ৯৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে গুগল ডুডলের মাধ্যমে তাঁকে স্মরণ করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও শ্রদ্ধা জানানো হয়।</p>
<p>সাহিত্য, নাট্যচর্চা ও শিক্ষাক্ষেত্রে অবদানের জন্য মুনীর চৌধুরী বাংলা একাডেমি পুরস্কার (১৯৬২) লাভ করেন। পরবর্তীকালে স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার তাঁকে স্বাধীনতা পুরস্কার (মরণোত্তর, ১৯৮০) প্রদান করে।</p>
<p>মুনীর চৌধুরী কেবল একজন নাট্যকার বা শিক্ষাবিদ নন; তিনি ছিলেন ভাষা, সংস্কৃতি ও স্বাধীনচেতা বাঙালি মননের এক প্রতীক। তাঁর সাহিত্য, চিন্তা ও আত্মত্যাগ বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক ইতিহাসে চিরকাল গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.bongo-pedia.com/2645/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>আহমদ ছফা(Ahmed Sofa)</title>
		<link>https://www.bongo-pedia.com/2640</link>
		<comments>https://www.bongo-pedia.com/2640#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 25 May 2026 09:10:25 +0000</pubDate>
		<dc:creator>shafiqur</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[জীবনী]]></category>

		<category><![CDATA[ড্রাফট]]></category>

		<category><![CDATA[আহমদ ছফা(Ahmed Sofa)]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.bongo-pedia.com/2640</guid>
		<description><![CDATA[
বাংলাদেশের সাহিত্য, চিন্তাচর্চা ও বুদ্ধিবৃত্তিক পরিসরে এক অনন্য ও প্রভাবশালী নাম আহমদ ছফা। তিনি ছিলেন একজন প্রথাবিরোধী লেখক, ঔপন্যাসিক, কবি, প্রাবন্ধিক, চিন্তাবিদ ও গণবুদ্ধিজীবী। সাহিত্য, সমাজ, রাজনীতি, সংস্কৃতি ও জাতিসত্তা বিষয়ে তাঁর গভীর ও স্বতন্ত্র বিশ্লেষণ তাঁকে বাংলা ভাষার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মনীষীতে পরিণত করেছে। বিশেষত বাঙালি মুসলমানের আত্মপরিচয়, বুদ্ধিজীবী সমাজের সংকট, রাষ্ট্রচিন্তা ও জাতীয় সংস্কৃতি ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p data-start="42" data-end="623"><img src="https://www.bongo-pedia.com/cloud/archives/2026/05/ahmodsofa-thumbnail.jpg" alt="আহমদ ছফা(Ahmed Sofa)" /></p>
<p data-start="42" data-end="623">বাংলাদেশের সাহিত্য, চিন্তাচর্চা ও বুদ্ধিবৃত্তিক পরিসরে এক অনন্য ও প্রভাবশালী নাম আহমদ ছফা। তিনি ছিলেন একজন প্রথাবিরোধী লেখক, ঔপন্যাসিক, কবি, প্রাবন্ধিক, চিন্তাবিদ ও গণবুদ্ধিজীবী। সাহিত্য, সমাজ, রাজনীতি, সংস্কৃতি ও জাতিসত্তা বিষয়ে তাঁর গভীর ও স্বতন্ত্র বিশ্লেষণ তাঁকে বাংলা ভাষার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মনীষীতে পরিণত করেছে। বিশেষত বাঙালি মুসলমানের আত্মপরিচয়, বুদ্ধিজীবী সমাজের সংকট, রাষ্ট্রচিন্তা ও জাতীয় সংস্কৃতি নিয়ে তাঁর সাহসী লেখনী তাঁকে সমসাময়িকদের থেকে আলাদা অবস্থানে প্রতিষ্ঠিত করেছে। স্বাধীন বাংলাদেশে মুক্তবুদ্ধির অন্যতম শক্তিশালী কণ্ঠস্বর হিসেবে তিনি আজও আলোচিত ও প্রাসঙ্গিক।</p>
<p data-start="642" data-end="1009">আহমদ ছফা জন্মগ্রহণ করেন ১৯৪৩ সালের ৩০ জুন চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার গাছবাড়িয়া গ্রামে। তাঁর পিতা হেদায়েত আলী এবং মাতা আসিয়া খাতুন। দুই ভাই ও চার বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন দ্বিতীয় সন্তান। শৈশব থেকেই তিনি ছিলেন অনুসন্ধিৎসু, কৌতূহলী ও ব্যতিক্রমী মানসিকতার। গ্রামের জীবন, প্রকৃতি, সাধারণ মানুষের সংগ্রাম ও সামাজিক বাস্তবতা তাঁর মনন ও সাহিত্যচর্চায় গভীর প্রভাব বিস্তার করে।</p>
<p data-start="1051" data-end="1513">আহমদ ছফার প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সূচনা হয় তাঁর পিতার প্রতিষ্ঠিত দক্ষিণ গাছবাড়িয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। পরে তিনি গাছবাড়িয়া নিত্যানন্দ গৌরচন্দ্র সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক শিক্ষা সম্পন্ন করেন। ১৯৬২ সালে চট্টগ্রামের নাজিরহাট কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করার পর তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে ভর্তি হন। যদিও পরবর্তীকালে নিয়মিত পড়াশোনা সম্পন্ন না করে প্রাইভেট পরীক্ষার মাধ্যমে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।</p>
<p data-start="1515" data-end="1797">ছাত্রজীবনেই তিনি রাজনীতি ও সামাজিক পরিবর্তনের আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হন। কৃষক আন্দোলন, বামপন্থী রাজনীতি ও সামাজিক ন্যায়বিচারের প্রশ্ন তাঁকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে। ষাটের দশকে তাঁর মধ্যে যে রাজনৈতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক চেতনার বিকাশ ঘটে, তা পরবর্তীকালে তাঁর লেখালেখির অন্যতম ভিত্তি হয়ে ওঠে।</p>
<p data-start="1839" data-end="2197">বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের সময় আহমদ ছফা লেখক ও সংস্কৃতিকর্মীদের সংগঠিত করার উদ্যোগ নেন। ১৯৭১ সালে তিনি ‘লেখক সংগ্রাম শিবির’-এর সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন এবং মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে প্রচার ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নেন। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তিনি কলকাতায় অবস্থান করে <strong data-start="2108" data-end="2120">‘দাবানল’</strong> নামের একটি পত্রিকা সম্পাদনা করেন, যা স্বাধীনতার পক্ষে জনমত গঠনে ভূমিকা রাখে।</p>
<p data-start="2199" data-end="2586">স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের রাষ্ট্র, সমাজ ও বুদ্ধিজীবী শ্রেণির ভূমিকা নিয়ে তিনি গভীরভাবে চিন্তা করেন। ১৯৭২ সালে প্রকাশিত তাঁর গুরুত্বপূর্ণ প্রবন্ধগ্রন্থ <em data-start="2349" data-end="2377">বুদ্ধিবৃত্তির নতুন বিন্যাস</em> স্বাধীন বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবী সমাজের আত্মসমালোচনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে বিবেচিত হয়। এতে তিনি স্বাধীনতাত্তোর বুদ্ধিবৃত্তিক সংকট, সুবিধাবাদিতা ও চিন্তার দারিদ্র্য নিয়ে তীক্ষ্ণ বিশ্লেষণ উপস্থাপন করেন।</p>
<p data-start="2618" data-end="2925">আহমদ ছফা সাহিত্যের প্রায় প্রতিটি শাখায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ, কবিতা, অনুবাদ, স্মৃতিকথা, ইতিহাস ও ভ্রমণকাহিনি মিলিয়ে তিনি ত্রিশেরও বেশি গ্রন্থ রচনা করেন। তাঁর সাহিত্যকর্মে সমাজবাস্তবতা, মানুষের অন্তর্জগৎ, ইতিহাস, রাজনীতি, সংস্কৃতি ও জাতীয় পরিচয়ের প্রশ্ন গভীরভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।</p>
<p data-start="2927" data-end="3242">তাঁর অন্যতম আলোচিত গ্রন্থ <em data-start="2953" data-end="2974">বাঙালি মুসলমানের মন</em> বাঙালি মুসলমান সমাজের আত্মপরিচয়, মানসিক গঠন ও ঐতিহাসিক বিবর্তন নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিশ্লেষণধর্মী রচনা। এ গ্রন্থে তিনি বাঙালি মুসলমানদের সামাজিক ও মানসিক সংকটের কারণ অনুসন্ধানের চেষ্টা করেন। বাংলা ভাষার মননশীল সাহিত্যে এটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন হিসেবে বিবেচিত।</p>
<p data-start="3270" data-end="3455">প্রাবন্ধিক পরিচয়ের পাশাপাশি আহমদ ছফা ছিলেন শক্তিশালী কথাসাহিত্যিক। তাঁর উপন্যাসগুলো ভাষার অভিনব ব্যবহার, রাজনৈতিক অন্তর্দৃষ্টি এবং চরিত্র নির্মাণের স্বাতন্ত্র্যের জন্য বিশেষভাবে সমাদৃত।</p>
<p data-start="3457" data-end="3893">তাঁর উল্লেখযোগ্য উপন্যাসগুলোর মধ্যে রয়েছে <em data-start="3499" data-end="3516">সূর্য তুমি সাথী</em>, <em data-start="3518" data-end="3526">ওঙ্কার</em>, <em data-start="3528" data-end="3557">একজন আলী কেনানের উত্থান-পতন</em>, <em data-start="3559" data-end="3569">মরণবিলাস</em>, <em data-start="3571" data-end="3581">অলাতচক্র</em>, <em data-start="3583" data-end="3599">গাভী বিত্তান্ত</em>, <em data-start="3601" data-end="3629">পুষ্প বৃক্ষ ও বিহঙ্গ পুরাণ</em> এবং <em data-start="3634" data-end="3661">অর্ধেক নারী অর্ধেক ঈশ্বরী</em>। এর মধ্যে <em data-start="3672" data-end="3688">গাভী বিত্তান্ত</em> বিশ্ববিদ্যালয় রাজনীতি ও ক্ষমতার দ্বন্দ্ব নিয়ে রচিত বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শক্তিশালী ব্যঙ্গাত্মক উপন্যাস হিসেবে পরিচিত। অন্যদিকে <em data-start="3817" data-end="3827">অলাতচক্র</em> মুক্তিযুদ্ধ ও মানবিক সম্পর্কের জটিলতাকে শিল্পিতভাবে উপস্থাপন করে।</p>
<p data-start="3895" data-end="4040">তাঁর স্মৃতিচারণমূলক গ্রন্থ <em data-start="3922" data-end="3940">যদ্যপি আমার গুরু</em>, যা জাতীয় অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাককে কেন্দ্র করে রচিত, বাংলা সাহিত্যে এক অনন্য সংযোজন হিসেবে বিবেচিত।</p>
<p data-start="4074" data-end="4471">আহমদ ছফা ছিলেন স্পষ্টভাষী, আপসহীন ও প্রথাবিরোধী। সমাজ, রাষ্ট্র ও প্রতিষ্ঠিত বুদ্ধিজীবী মহলের ভণ্ডামি ও সুবিধাবাদ নিয়ে তিনি নির্ভীকভাবে কথা বলেছেন। জীবদ্দশায় তাঁর এই স্পষ্টবাদিতা যেমন তাঁকে জনপ্রিয় করেছে, তেমনি বিতর্কেরও জন্ম দিয়েছে। তিনি প্রচলিত সম্মাননা ও প্রতিষ্ঠানের প্রতি নির্ভরশীল ছিলেন না; ১৯৭৫ সালে লেখক শিবির পুরস্কার এবং ১৯৯৩ সালে বাংলা একাডেমির সাদত আলী আখন্দ পুরস্কার প্রত্যাখ্যান করেন।</p>
<p data-start="4490" data-end="4720">ব্যক্তিজীবনে আহমদ ছফা আজীবন অবিবাহিত ছিলেন। তবে তাঁর ব্যক্তিগত সম্পর্ক ও প্রেমজ অভিজ্ঞতা তাঁর কিছু সাহিত্যকর্মে প্রতিফলিত হয়েছে। বিশেষত <em data-start="4626" data-end="4653">অর্ধেক নারী অর্ধেক ঈশ্বরী</em> উপন্যাসে তাঁর ব্যক্তিগত অনুভূতি ও অভিজ্ঞতার প্রতিফলন লক্ষ করা যায়।</p>
<p data-start="4748" data-end="4999">২০০১ সালের ২৮ জুলাই অসুস্থ অবস্থায় ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁর মৃত্যু বাংলাদেশের সাহিত্য ও বুদ্ধিবৃত্তিক পরিসরে এক অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি করে। মৃত্যুর পর ২০০২ সালে বাংলাদেশ সরকার তাঁকে সাহিত্যে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ মরণোত্তর <strong data-start="4974" data-end="4987">একুশে পদক</strong> প্রদান করে।</p>
<p data-start="5001" data-end="5285">আহমদ ছফা শুধু একজন লেখক নন; তিনি ছিলেন একটি চিন্তার ধারা, একটি প্রতিবাদী কণ্ঠ এবং মুক্তবুদ্ধির প্রতীক। তাঁর সাহিত্য, চিন্তা ও সমাজবিশ্লেষণ আজও নতুন প্রজন্মের পাঠক, গবেষক ও বুদ্ধিজীবীদের অনুপ্রাণিত করে চলেছে। বাংলা সাহিত্য ও বুদ্ধিবৃত্তিক ইতিহাসে তাঁর অবদান দীর্ঘকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.bongo-pedia.com/2640/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী(Abdul Gaffar Chowdhury)</title>
		<link>https://www.bongo-pedia.com/2642</link>
		<comments>https://www.bongo-pedia.com/2642#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 25 May 2026 08:47:38 +0000</pubDate>
		<dc:creator>shafiqur</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[জীবনী]]></category>

		<category><![CDATA[আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী(Abdul Gaffar Chowdhury)]]></category>

		<category><![CDATA[আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.bongo-pedia.com/2642</guid>
		<description><![CDATA[
বাংলাদেশের সাংবাদিকতা, সাহিত্য ও রাজনৈতিক বিশ্লেষণের ইতিহাসে আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী এক উজ্জ্বল ও অনন্য নাম। তিনি ছিলেন একজন বিশিষ্ট সাংবাদিক, সাহিত্যিক, কলামিস্ট, রাজনৈতিক বিশ্লেষক এবং মুক্তচিন্তার বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর। বাংলা ভাষা আন্দোলনের অবিস্মরণীয় গান “আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি”-এর গীতিকার হিসেবে তিনি সর্বাধিক পরিচিত। ভাষা আন্দোলনের স্মৃতি ও আত্মত্যাগকে ধারণ করা এই গান কেবল একটি ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.bongo-pedia.com/cloud/archives/2026/05/gaffar-thumbnail.JPG" alt="আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী(Abdul Gaffar Chowdhury)" /></p>
<p>বাংলাদেশের সাংবাদিকতা, সাহিত্য ও রাজনৈতিক বিশ্লেষণের ইতিহাসে আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী এক উজ্জ্বল ও অনন্য নাম। তিনি ছিলেন একজন বিশিষ্ট সাংবাদিক, সাহিত্যিক, কলামিস্ট, রাজনৈতিক বিশ্লেষক এবং মুক্তচিন্তার বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর। বাংলা ভাষা আন্দোলনের অবিস্মরণীয় গান “আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি”-এর গীতিকার হিসেবে তিনি সর্বাধিক পরিচিত। ভাষা আন্দোলনের স্মৃতি ও আত্মত্যাগকে ধারণ করা এই গান কেবল একটি সংগীত নয়, বরং বাঙালি জাতিসত্তা, ভাষা ও সাংস্কৃতিক চেতনার এক অমর প্রতীক হয়ে উঠেছে। দীর্ঘ সাহিত্য ও সাংবাদিকতা জীবনে তিনি দেশ, সমাজ, রাজনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নিয়ে নিরলসভাবে কাজ করেছেন।</p>
<p>আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী জন্মগ্রহণ করেন ১৯৩৪ সালের ১২ ডিসেম্বর ব্রিটিশ ভারতের বরিশাল জেলার মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার উলানিয়া গ্রামে। তাঁর পিতা হাজি ওয়াহিদ রেজা চৌধুরী ছিলেন বরিশাল জেলা কংগ্রেসের সভাপতি এবং ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের সক্রিয় কর্মী। রাজনৈতিক ও সামাজিক সচেতনতার পরিবেশে বেড়ে ওঠা গাফ্‌ফার চৌধুরীর চিন্তাজগৎ শৈশব থেকেই প্রগতিশীল ও মানবিক আদর্শে প্রভাবিত হয়।</p>
<p>শিক্ষাজীবনে তিনি সাহিত্য ও রাজনীতির প্রতি গভীর আগ্রহ দেখান। পরবর্তীকালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। ছাত্রজীবনেই লেখালেখি ও সাংবাদিকতার সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততা শুরু হয়, যা পরবর্তীকালে তাঁর পেশাগত ও সৃজনশীল জীবনের ভিত্তি গড়ে দেয়।</p>
<p>আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরীর সাংবাদিকতা জীবন শুরু হয় ১৯৫০ সালে দৈনিক ইনসাফ পত্রিকায়। পরবর্তীকালে তিনি সংবাদ, ইত্তেফাক, আজাদসহ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সংবাদপত্রে কাজ করেন। তাঁর লেখনী ছিল তীক্ষ্ণ, বিশ্লেষণধর্মী এবং রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতাকে গভীরভাবে অনুধাবনকারী।</p>
<p>বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি মুজিবনগর সরকারের মুখপত্র সাপ্তাহিক জয় বাংলা-এর প্রতিষ্ঠাতা নির্বাহী সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত গঠন ও আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায়ে সাংবাদিকতার মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।</p>
<p>আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরীর নাম উচ্চারিত হলেই স্মরণে আসে বাংলা ভাষা আন্দোলনের অমর সংগীত— “আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি”। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে রচিত এই গানটি প্রথমে তিনি নিজেই সুরারোপ করেন। পরে সুরকার ও শহীদ ভাষাসৈনিক আলতাফ মাহমুদ গানটিতে নতুন সুর সংযোজন করেন, যা পরবর্তীকালে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিসরে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করে।</p>
<p>এই গানটি বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলনের প্রতীক এবং প্রতি বছর একুশে ফেব্রুয়ারিতে শহীদদের স্মরণে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে পরিবেশিত হয়। এটি শুধু সংগীত নয়, বরং ভাষার অধিকারের জন্য আত্মত্যাগের এক ঐতিহাসিক দলিল।</p>
<p>সাংবাদিকতার পাশাপাশি আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী ছিলেন একজন শক্তিশালী সাহিত্যিক। উপন্যাস, গল্প, নাটক, স্মৃতিকথা ও রাজনৈতিক প্রবন্ধ মিলিয়ে তিনি ত্রিশেরও বেশি গ্রন্থ রচনা করেছেন। তাঁর লেখায় সমাজবাস্তবতা, রাজনীতি, মুক্তিযুদ্ধ, মানবিকতা এবং বাঙালির সাংস্কৃতিক পরিচয় বিশেষভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।</p>
<p>তাঁর উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্মের মধ্যে রয়েছে চন্দ্রদ্বীপের উপাখ্যান, ধীরে বহে বুড়িগঙ্গাসহ বিভিন্ন উপন্যাস ও স্মৃতিকথা। তাঁর সাহিত্যকর্মে ইতিহাস ও সমকালীন বাস্তবতার এক আন্তরিক ও বিশ্লেষণধর্মী উপস্থাপন লক্ষ করা যায়।</p>
<p>১৯৭৪ সালে স্ত্রীর চিকিৎসার উদ্দেশ্যে তিনি যুক্তরাজ্যে যান এবং পরবর্তীকালে সেখানেই স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। প্রবাসজীবনেও তিনি বাংলাদেশের রাজনীতি, সমাজ ও সংস্কৃতি নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি অব্যাহত রাখেন। লন্ডন থেকে প্রকাশিত নতুন দিন পত্রিকা পরিচালনার মাধ্যমে তিনি প্রবাসী বাংলা সাংবাদিকতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুখ হয়ে ওঠেন।</p>
<p>তাঁর রাজনৈতিক কলামগুলো দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের পাঠকমহলে সমাদৃত ছিল। স্পষ্টভাষী রাজনৈতিক বিশ্লেষক হিসেবে তিনি সমসাময়িক রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক বিষয় নিয়ে নির্ভীক মতামত প্রকাশ করেছেন।</p>
<p>সাহিত্য, সাংবাদিকতা ও ভাষা আন্দোলনে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী বহু সম্মাননা লাভ করেন। তিনি বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার (১৯৬৭), একুশে পদক, **স্বাধীনতা পদক (২০০৯)**সহ একাধিক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কারে ভূষিত হন। তাঁর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক অবদান আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও প্রশংসিত হয়েছে।</p>
<p>২০২২ সালের ১৯ মে যুক্তরাজ্যের লন্ডনের বার্নেট হাসপাতালে ৮৮ বছর বয়সে আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী মৃত্যুবরণ করেন। পরবর্তীকালে তাঁর মরদেহ বাংলাদেশে আনা হয় এবং ঢাকার মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন করা হয়।</p>
<p>আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী কেবল একজন সাংবাদিক বা সাহিত্যিক নন; তিনি ছিলেন ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের চেতনার এক বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর। তাঁর লেখা, চিন্তা ও আদর্শ আজও বাঙালির জাতীয় স্মৃতি, সংস্কৃতি ও রাজনৈতিক চেতনায় গভীরভাবে প্রভাব বিস্তার করে চলেছে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.bongo-pedia.com/2642/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ (Abdullah Abu Sayeed)</title>
		<link>https://www.bongo-pedia.com/2639</link>
		<comments>https://www.bongo-pedia.com/2639#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 23 May 2026 11:17:04 +0000</pubDate>
		<dc:creator>shafiqur</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[জীবনী]]></category>

		<category><![CDATA[আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ (Abdullah Abu Sayeed)]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.bongo-pedia.com/2639</guid>
		<description><![CDATA[
বাংলাদেশের শিক্ষা, সাহিত্য ও সমাজসংস্কারের ইতিহাসে এক অনন্য নাম আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ। তিনি একজন প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক, সমাজসংস্কারক, টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব এবং পাঠাভ্যাস আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি কেবল শিক্ষকতা ও সাহিত্যচর্চায় নয়, বরং একটি আলোকিত সমাজ গঠনের লক্ষ্যে মানবিক মূল্যবোধভিত্তিক সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলেও বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেছেন। তাঁর প্রতিষ্ঠিত বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র বাংলাদেশের পাঠসংস্কৃতি ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.bongo-pedia.com/cloud/archives/2026/05/bongo-newsabdullah-abu-thumbnail.JPG" alt="আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ" /></p>
<p>বাংলাদেশের শিক্ষা, সাহিত্য ও সমাজসংস্কারের ইতিহাসে এক অনন্য নাম আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ। তিনি একজন প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক, সমাজসংস্কারক, টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব এবং পাঠাভ্যাস আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি কেবল শিক্ষকতা ও সাহিত্যচর্চায় নয়, বরং একটি আলোকিত সমাজ গঠনের লক্ষ্যে মানবিক মূল্যবোধভিত্তিক সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলেও বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেছেন। তাঁর প্রতিষ্ঠিত বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র বাংলাদেশের পাঠসংস্কৃতি বিকাশে এক যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করেছে। শিক্ষা ও মানবিক চেতনা প্রসারে অসামান্য অবদানের জন্য তিনি দেশ-বিদেশে ব্যাপক সম্মান ও স্বীকৃতি লাভ করেন।</p>
<p>আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদের জন্ম ১৯৩৯ সালের ২৫ জুলাই কলকাতার পার্ক সার্কাস এলাকায়। যদিও তাঁর জন্ম কলকাতায়, তাঁর পৈতৃক নিবাস বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলার কামারগাতি গ্রামে। তাঁর পিতা আযীমউদ্দীন আহমদ ছিলেন একজন খ্যাতিমান শিক্ষক, সাহিত্যপ্রেমী ও নাট্যকার, যার প্রভাব শৈশব থেকেই তাঁর চিন্তা ও মনন গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।</p>
<p>শিক্ষাজীবনে তিনি ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী ও অধ্যয়নমনস্ক। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতক (সম্মান) এবং স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ছাত্রজীবনেই সাহিত্য, সংস্কৃতি ও সমাজভাবনায় তাঁর গভীর আগ্রহ তৈরি হয়, যা পরবর্তীকালে তাঁর বহুমাত্রিক কর্মজীবনের ভিত্তি স্থাপন করে।</p>
<p>১৯৬১ সালে মুন্সীগঞ্জের হরগঙ্গা কলেজে শিক্ষকতার মাধ্যমে আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদের কর্মজীবনের সূচনা ঘটে। পরবর্তীতে তিনি ঢাকা কলেজের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। শিক্ষক হিসেবে তিনি ছিলেন ব্যতিক্রমী—শুধু পাঠ্যবইয়ের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ না থেকে শিক্ষার্থীদের মধ্যে মুক্তচিন্তা, মানবিক মূল্যবোধ ও জ্ঞানান্বেষণের আগ্রহ সৃষ্টি করতেন।</p>
<p>ষাটের দশকে তিনি ‘কণ্ঠস্বর’ সাহিত্যপত্র সম্পাদনার মাধ্যমে আধুনিক বাংলা সাহিত্যে নতুন চিন্তাধারার উন্মেষ ঘটান। পাশাপাশি সত্তরের দশকে বাংলাদেশ টেলিভিশনে ‘সপ্তবর্ণ’, ‘ঈদ আনন্দমেলা’-সহ বিভিন্ন জনপ্রিয় অনুষ্ঠান উপস্থাপনার মাধ্যমে তিনি দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে এক সুপরিচিত ব্যক্তিত্বে পরিণত হন।</p>
<p>১৯৭৮ সালে আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ প্রতিষ্ঠা করেন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র, যা পরবর্তীকালে বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ মানবিক ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনে রূপ নেয়। “আলোকিত মানুষ চাই” স্লোগানকে সামনে রেখে গড়ে ওঠা এই প্রতিষ্ঠান বইপড়া, জ্ঞানচর্চা ও মানবিক মূল্যবোধ বিকাশের মাধ্যমে একটি সচেতন ও আলোকিত সমাজ নির্মাণে কাজ করে যাচ্ছে।</p>
<p>বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের পাঠচক্র, বইপড়া কর্মসূচি এবং ভ্রাম্যমাণ গ্রন্থাগার কার্যক্রম দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের লাখো শিক্ষার্থী ও পাঠকের মধ্যে পাঠাভ্যাস গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। বলা হয়, বাংলাদেশের পাঠসংস্কৃতির বিকাশে এ প্রতিষ্ঠান এক নীরব বিপ্লব ঘটিয়েছে।</p>
<p>আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ সাহিত্যচর্চায়ও সমানভাবে সক্রিয়। প্রবন্ধ, স্মৃতিকথা, কবিতা, অনুবাদ ও আত্মউন্নয়নমূলক রচনা মিলিয়ে তিনি পঞ্চাশেরও বেশি গ্রন্থ রচনা করেছেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে— আমার বোকা শৈশব, ভাঙো দুর্দশার চক্র, স্বপ্নের সমান বড়, অন্তরঙ্গ আলাপ এবং বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র ও আমি।</p>
<p>তাঁর লেখায় মানবিকতা, আত্মবিকাশ, শিক্ষা, ইতিবাচক চিন্তা ও সমাজগঠনের দর্শন প্রতিফলিত হয়। তিনি বিশ্বাস করেন—একজন মানুষ বই পড়ার মাধ্যমে নিজেকে উন্নত করতে পারে এবং সমাজকে ইতিবাচকভাবে পরিবর্তন করতে সক্ষম হয়।</p>
<p>শিক্ষা, সাহিত্য ও সমাজসংস্কারে অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ বহু জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। তিনি বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার, একুশে পদক এবং আন্তর্জাতিকভাবে মর্যাদাপূর্ণ র‍্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার লাভ করেন। বিশেষত পাঠাভ্যাস ও মানবিক সমাজ নির্মাণে তাঁর অসাধারণ উদ্যোগ আন্তর্জাতিক মহলেও প্রশংসিত হয়েছে।</p>
<p>আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ বাংলাদেশের পাঠসংস্কৃতির এক নীরব বিপ্লবী হিসেবে পরিচিত। তাঁর চিন্তা, কর্ম ও দর্শন দেশের শিক্ষা, সাহিত্য এবং নাগরিক সমাজে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব বিস্তার করেছে। আশির কোঠা পেরিয়েও তিনি বই, চিন্তা, লেখালেখি ও মানবিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় রয়েছেন। তাঁর বহুল উদ্ধৃত দর্শন— “মানুষ তার স্বপ্নের সমান বড়”—আজও তরুণ প্রজন্মকে স্বপ্ন দেখতে ও আত্মোন্নয়নের পথে এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.bongo-pedia.com/2639/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>ইমদাদুল হক মিলন(Imdadul Haq Milan)</title>
		<link>https://www.bongo-pedia.com/2637</link>
		<comments>https://www.bongo-pedia.com/2637#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 23 May 2026 10:00:35 +0000</pubDate>
		<dc:creator>shafiqur</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[জীবনী]]></category>

		<category><![CDATA[ইমদাদুল হক মিলন(Imdadul Haq Milan)]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.bongo-pedia.com/2637</guid>
		<description><![CDATA[
বাংলা সাহিত্যের জনপ্রিয় ও বহুমাত্রিক কথাসাহিত্যিকদের মধ্যে ইমদাদুল হক মিলন অন্যতম। গল্প, উপন্যাস ও নাটক—সাহিত্যের এই তিনটি শাখাতেই তিনি অসামান্য জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। সহজ-সরল অথচ গভীর আবেগময় ভাষা, জীবনের বাস্তব চিত্র ও মানবমনের সূক্ষ্ম অনুভূতি তাঁর লেখার প্রধান বৈশিষ্ট্য। দীর্ঘ সাহিত্যজীবনে তিনি দুই বাংলার পাঠকের হৃদয়ে বিশেষ স্থান করে নিয়েছেন। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে গুরুত্বপূর্ণ ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.bongo-pedia.com/cloud/archives/2026/05/bongo-newsimdadul.JPG" alt="ইমদাদুল হক মিলন" /></p>
<p>বাংলা সাহিত্যের জনপ্রিয় ও বহুমাত্রিক কথাসাহিত্যিকদের মধ্যে ইমদাদুল হক মিলন অন্যতম। গল্প, উপন্যাস ও নাটক—সাহিত্যের এই তিনটি শাখাতেই তিনি অসামান্য জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। সহজ-সরল অথচ গভীর আবেগময় ভাষা, জীবনের বাস্তব চিত্র ও মানবমনের সূক্ষ্ম অনুভূতি তাঁর লেখার প্রধান বৈশিষ্ট্য। দীর্ঘ সাহিত্যজীবনে তিনি দুই বাংলার পাঠকের হৃদয়ে বিশেষ স্থান করে নিয়েছেন। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ সরকার তাঁকে ২০১৯ সালে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদক প্রদান করে।</p>
<p>কথাসাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলন জন্মগ্রহণ করেন ১৯৫৫ সালের ৮ সেপ্টেম্বর মুন্সীগঞ্জ জেলার ঐতিহাসিক বিক্রমপুর অঞ্চলের মেদিনীমণ্ডল গ্রামে, তাঁর নানার বাড়িতে। তাঁর পৈতৃক নিবাস বিক্রমপুরের লৌহজং উপজেলার পয়সা গ্রামে। পিতা গিয়াসউদ্দিন খান এবং মাতা আনোয়ারা বেগম। শৈশব ও কৈশোর কেটেছে গ্রামীণ পরিবেশে, যা পরবর্তীকালে তাঁর সাহিত্যকর্মে গভীর প্রভাব ফেলেছে।</p>
<p>তিনি ১৯৭২ সালে লৌহজং উপজেলার কাজীর পাগলা হাই স্কুল থেকে মাধ্যমিক শিক্ষা সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে তৎকালীন জগন্নাথ কলেজ (বর্তমান জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়) থেকে ১৯৭৪ সালে উচ্চমাধ্যমিক এবং ১৯৭৯ সালে স্নাতক (সম্মান) ডিগ্রি অর্জন করেন।</p>
<p>শৈশব থেকেই লেখালেখির প্রতি প্রবল আগ্রহ ছিল ইমদাদুল হক মিলনের। শিশু-কিশোরদের জনপ্রিয় পত্রিকা কিশোর বাংলা-তে শিশুতোষ গল্প লেখার মাধ্যমে সাহিত্যজগতে তাঁর আত্মপ্রকাশ ঘটে। তবে ১৯৭৭ সালে সাপ্তাহিক বিচিত্রা পত্রিকায় প্রকাশিত ‘সজনী’ নামের ছোটগল্প তাঁকে পাঠকমহলে বিশেষভাবে পরিচিতি এনে দেয়। এরপর ধারাবাহিকভাবে গল্প, উপন্যাস ও নাট্যরচনার মাধ্যমে তিনি বাংলা সাহিত্যে নিজের শক্ত অবস্থান গড়ে তোলেন।</p>
<p>ইমদাদুল হক মিলন এপার বাংলা ও ওপার বাংলায় সমান জনপ্রিয় একজন সাহিত্যিক। তাঁর রচনায় উঠে এসেছে গ্রামীণ জীবন, প্রেম, মানবিক সম্পর্ক, সামাজিক বাস্তবতা এবং মানুষের সুখ-দুঃখের অনুপুঙ্খ চিত্র। বিশেষ করে তাঁর ‘নূরজাহান’ উপন্যাস দুই বাংলাতেই ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে এবং পাঠকমহলে বিশেষ সমাদৃত হয়।</p>
<p>দীর্ঘ সাহিত্যজীবনে তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা প্রায় দুই শতাধিক। উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে— অধিবাস, পরাধীনতা, কালাকাল, বাঁকাজল, নিরন্নের কাল, পরবাস, কালোঘোড়া, মাটি ও মানুষের উপাখ্যান, পর, কেমন আছ সবুজপাতা এবং জীবনপুর প্রভৃতি।</p>
<p>উপন্যাস ও গল্পের পাশাপাশি নাট্যকার হিসেবেও ইমদাদুল হক মিলন ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেছেন। তাঁর রচিত দেড় শতাধিক নাটকের মধ্যে ‘কোন কাননের ফুল’, ‘বারো রকম মানুষ’, ‘রূপনগর’, ‘যুবরাজ’, ‘কোথায় সেজন’, ‘আলতা’, ‘একজনা’, ‘নীলু’, ‘তোমাকেই’, ‘ছোছা কদম’, ‘আঁচল’, ‘খুঁজে বেড়াই তারে’, ‘কোন গ্রামের মেয়ে’ এবং ‘মেয়েটি এখন কোথায় যাবে’ বিশেষ দর্শকপ্রিয়তা লাভ করে।</p>
<p>সাহিত্যচর্চার পাশাপাশি তিনি সাংবাদিকতা ও সম্পাদনার সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। তিনি ২০২৪ সালের আগস্ট পর্যন্ত জাতীয় দৈনিক কালের কণ্ঠ-এর সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।</p>
<p>ব্যক্তিজীবনে ইমদাদুল হক মিলন বিবাহিত এবং দুই সন্তানের জনক। সাহিত্যচর্চা, পাঠকপ্রিয়তা ও সৃজনশীলতার মাধ্যমে তিনি বাংলা সাহিত্যে এক অনন্য উচ্চতায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। তাঁর সাহিত্যকর্ম ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এক মূল্যবান সম্পদ হিসেবে বিবেচিত হবে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.bongo-pedia.com/2637/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>আবুল ফজল(Abul Fazal)</title>
		<link>https://www.bongo-pedia.com/2635</link>
		<comments>https://www.bongo-pedia.com/2635#comments</comments>
		<pubDate>Thu, 21 May 2026 09:05:52 +0000</pubDate>
		<dc:creator>shafiqur</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[জীবনী]]></category>

		<category><![CDATA[]]></category>

		<category><![CDATA[আদমজী সাহিত্য পুরস্কার]]></category>

		<category><![CDATA[আবুল ফজল(Abul Fazal)]]></category>

		<category><![CDATA[একাডেমি পুরস্কার]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.bongo-pedia.com/2635</guid>
		<description><![CDATA[
বাংলা সাহিত্য, সমাজচিন্তা ও শিক্ষাজগতে যাঁদের অবদান আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক, তাঁদের অন্যতম হলেন আবুল ফজল। সাহিত্যিক, শিক্ষাবিদ ও প্রাবন্ধিক হিসেবে তিনি যেমন খ্যাতি অর্জন করেছেন, তেমনি সমাজ, সংস্কৃতি ও মানবতাবাদ নিয়ে তাঁর প্রগতিশীল ও মুক্তবুদ্ধির চিন্তার জন্য পেয়েছেন “বাংলার বিবেক” উপাধি। দীর্ঘ কর্মময় জীবনে তিনি শিক্ষকতা, সাহিত্যচর্চা এবং শিক্ষা প্রশাসনের মাধ্যমে জাতির বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.bongo-pedia.com/cloud/archives/2026/05/bongo-newsabulfazal-thumbnail.JPG" alt="আবুল ফজল(Abul Fazal)" /></p>
<p>বাংলা সাহিত্য, সমাজচিন্তা ও শিক্ষাজগতে যাঁদের অবদান আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক, তাঁদের অন্যতম হলেন আবুল ফজল। সাহিত্যিক, শিক্ষাবিদ ও প্রাবন্ধিক হিসেবে তিনি যেমন খ্যাতি অর্জন করেছেন, তেমনি সমাজ, সংস্কৃতি ও মানবতাবাদ নিয়ে তাঁর প্রগতিশীল ও মুক্তবুদ্ধির চিন্তার জন্য পেয়েছেন “বাংলার বিবেক” উপাধি। দীর্ঘ কর্মময় জীবনে তিনি শিক্ষকতা, সাহিত্যচর্চা এবং শিক্ষা প্রশাসনের মাধ্যমে জাতির বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।</p>
<p>১৯০৩ সালের ১ জুলাই চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার কেঁওচিয়া গ্রামে এক ধর্মনিষ্ঠ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন আবুল ফজল। তাঁর পিতা ছিলেন মৌলবি ফজলুর রহমান। পারিবারিক ধর্মীয় পরিবেশে বেড়ে ওঠা আবুল ফজল প্রথমে মক্তব ও মাদ্রাসায় শিক্ষাজীবন শুরু করেন। তবে সময়ের সঙ্গে তিনি আধুনিক শিক্ষার প্রতি আকৃষ্ট হন এবং নানা বাধা অতিক্রম করে উচ্চশিক্ষার পথে এগিয়ে যান। ১৯২৮ সালে University of Dhaka থেকে বিএ ডিগ্রি অর্জনের পর ১৯৪০ সালে University of Calcutta থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে এমএ সম্পন্ন করেন। বাংলা সাহিত্যচর্চার প্রতি তাঁর গভীর অনুরাগ পরবর্তীকালে তাঁকে এক অনন্য চিন্তাবিদ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে।</p>
<p>সাহিত্যজীবনের শুরুতে আবুল ফজল গল্পকার ও ঔপন্যাসিক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। তাঁর লেখনীতে সমাজবাস্তবতা, মানবিক মূল্যবোধ এবং সময়ের সংকট গভীরভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। “চৌচির”, “রাঙ্গা প্রভাত”, “সাহসিকা” ও “মাটির পৃথিবী” তাঁর উল্লেখযোগ্য কথাসাহিত্যকর্ম। তবে প্রাবন্ধিক হিসেবেই তিনি বিশেষভাবে সমাদৃত। “সাহিত্য সংস্কৃতি ও জীবন”, “সমাজ সাহিত্য ও রাষ্ট্র” এবং “মানবতন্ত্র” প্রবন্ধগ্রন্থে তিনি সমাজ, রাষ্ট্র, সাহিত্য ও সংস্কৃতি নিয়ে গভীর বিশ্লেষণ উপস্থাপন করেছেন। তাঁর রচনায় উদার মানবতাবাদ, অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও যুক্তিবাদী দর্শনের সুস্পষ্ট প্রতিফলন দেখা যায়।</p>
<p>কর্মজীবনে আবুল ফজল বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা দিয়ে যাত্রা শুরু করেন এবং পরে চট্টগ্রাম কলেজের অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে তিনি দেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। ১৯৭৩ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত University of Chittagong-এর উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। একই সঙ্গে রাষ্ট্রপতির শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবেও তিনি দেশের সাংস্কৃতিক ও শিক্ষানীতিতে ভূমিকা রাখেন।</p>
<p>ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সঙ্গেও আবুল ফজল ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিলেন। “একুশ মানে মাথা নত না করা”—এই বিখ্যাত উক্তি ভাষা আন্দোলনের চেতনার প্রতীক হয়ে ওঠে। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি সাহিত্যিক ও সংস্কৃতিকর্মীদের সংগঠিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এবং প্রতিরোধমূলক সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত ছিলেন।</p>
<p>সাহিত্য ও শিক্ষাক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি অর্জন করেন বাংলা একাডেমি পুরস্কার, আদমজী সাহিত্য পুরস্কার এবং দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা স্বাধীনতা পদক। তাঁর পুত্র আবুল মোমেন সাংবাদিকতা ও সাহিত্যচর্চার মাধ্যমে পারিবারিক বুদ্ধিবৃত্তিক ঐতিহ্য বহন করে চলেছেন।</p>
<p>১৯৮৩ সালের ৪ মে চট্টগ্রামে তাঁর জীবনাবসান হলেও আবুল ফজলের চিন্তা ও সাহিত্য আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক। মুক্তবুদ্ধি, মানবিক মূল্যবোধ ও যুক্তিনির্ভর সমাজ গঠনের স্বপ্নে তিনি আজও এক অনুপ্রেরণার নাম। বাংলা সাহিত্য ও সমাজচিন্তায় তাঁর অবদান তাঁকে চিরকাল স্মরণীয় করে রাখবে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.bongo-pedia.com/2635/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>ইলোরা সোমা(Ilora Suma)</title>
		<link>https://www.bongo-pedia.com/2632</link>
		<comments>https://www.bongo-pedia.com/2632#comments</comments>
		<pubDate>Thu, 02 Apr 2026 07:18:24 +0000</pubDate>
		<dc:creator>shafiqur</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[জীবনী]]></category>

		<category><![CDATA[Ilora Suma]]></category>

		<category><![CDATA[ইলোরা সোমা]]></category>

		<category><![CDATA[কবি]]></category>

		<category><![CDATA[লেখক]]></category>

		<category><![CDATA[সাহিত্যিক]]></category>

		<category><![CDATA[স্কুল ছুটি]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.bongo-pedia.com/2632</guid>
		<description><![CDATA[
ইলোরা সোমা,৯ অক্টোবর ১৯৮৫ সালে সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে উত্তরবঙ্গের সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুরের পাড়কোলাতে জন্মগ্রহণ করেন । তাঁর পিতার নাম সাত্তার কমিশনার এবং মাতা আয়েশা খাতুন ।
তিনি আনন্দমোহন কলেজ, ময়মনসিংহ থেকে অর্থনীতি বিষয়ের উপর স্নাতক সম্মান ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। লেখালেখির ক্ষেত্রে অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে তাঁর স্বামী মো. রফিকুল ইসলাম ।
তার একক কাব্যগ্রন্থ &#8216;বিকল্প বিবর্ণ&#8217;, ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.bongo-pedia.com/cloud/archives/2026/04/bongo-pediailora-thumbnail.jpg" alt="ইলোরা সোমা(Ilora Suma)" /></p>
<p>ইলোরা সোমা,৯ অক্টোবর ১৯৮৫ সালে সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে উত্তরবঙ্গের সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুরের পাড়কোলাতে জন্মগ্রহণ করেন । তাঁর পিতার নাম সাত্তার কমিশনার এবং মাতা আয়েশা খাতুন ।<br />
তিনি আনন্দমোহন কলেজ, ময়মনসিংহ থেকে অর্থনীতি বিষয়ের উপর স্নাতক সম্মান ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। লেখালেখির ক্ষেত্রে অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে তাঁর স্বামী মো. রফিকুল ইসলাম ।<br />
তার একক কাব্যগ্রন্থ &#8216;বিকল্প বিবর্ণ&#8217;, &#8216;জীবন যখন জাদুঘর&#8217;, এবং অসংখ্য যৌথ কাব্যগ্রন্থ রয়েছে ।<br />
বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় লেখনীর মাধ্যমে ইলোরার এই পথে যাত্রা শুরু হয় ।</p>
<p>তথ্যসূত্র: ২০২৪ সালে প্রকাশিত &#8220;স্কুল ছুটি &#8221; গ্রন্থ থেকে সংকলিত।<br />
তার সাক্ষাৎকার দেখুন-</p>
<p><iframe src="https://www.facebook.com/plugins/video.php?height=314&amp;href=https%3A%2F%2Fwww.facebook.com%2Freel%2F808223785650169%2F&amp;show_text=false&amp;width=560&amp;t=0" allow="autoplay; clipboard-write; encrypted-media; picture-in-picture; web-share" allowfullscreen="true" frameborder="0" scrolling="no" style="border: none; overflow: hidden" height="314" width="100%"></iframe></p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.bongo-pedia.com/2632/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>মাহবুবা ফারুক(Mahbuba Faruk)</title>
		<link>https://www.bongo-pedia.com/2630</link>
		<comments>https://www.bongo-pedia.com/2630#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 28 Mar 2026 10:28:31 +0000</pubDate>
		<dc:creator>shafiqur</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[জীবনী]]></category>

		<category><![CDATA[Mahbuba Faruk]]></category>

		<category><![CDATA[কবি]]></category>

		<category><![CDATA[কবিতা]]></category>

		<category><![CDATA[গল্প]]></category>

		<category><![CDATA[গল্পে গল্পে শিখি]]></category>

		<category><![CDATA[গান]]></category>

		<category><![CDATA[নাটক]]></category>

		<category><![CDATA[লেখক]]></category>

		<category><![CDATA[সাহিত্যিক]]></category>

		<category><![CDATA[হবুবা ফারুক]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.bongo-pedia.com/2630</guid>
		<description><![CDATA[
কবি ও শিশুসাহিত্যিক মাহবুবা ফারুক। নেত্রকোণার বারহাট্টায় জন্ম । লেখাপড়া শুরু বারহাট্টায়। তারপর ময়মনসিংহ ও ঢাকায়। শিক্ষকতা করেন বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ পাবলিক কলেজে । লেখালেখি শুরু করেন ছোটবেলা থেকেই । লিখেন কবিতা, গল্প, গান ও নাটক। তবে শিশুসাহিত্যে স্বতঃস্ফূর্ত। ছোটদের জন্য তার লেখা প্রথম বই ‘প্রজাপতি’। এটি তার ১৩ তম প্রকাশনা। ভালোবাসেন ভ্রমণ করতে । ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.bongo-pedia.com/cloud/archives/2026/03/mahbuba-faruk-thumbnail.jpg" alt="মাহবুবা ফারুক(Mahbuba Faruk)" /></p>
<p>কবি ও শিশুসাহিত্যিক মাহবুবা ফারুক। নেত্রকোণার বারহাট্টায় জন্ম । লেখাপড়া শুরু বারহাট্টায়। তারপর ময়মনসিংহ ও ঢাকায়। শিক্ষকতা করেন বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ পাবলিক কলেজে । লেখালেখি শুরু করেন ছোটবেলা থেকেই । লিখেন কবিতা, গল্প, গান ও নাটক। তবে শিশুসাহিত্যে স্বতঃস্ফূর্ত। ছোটদের জন্য তার লেখা প্রথম বই ‘প্রজাপতি’। এটি তার ১৩ তম প্রকাশনা। ভালোবাসেন ভ্রমণ করতে । তিনি ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্টস্ কোয়ালিটি কন্ট্রোল সার্কেল বাংলাদেশ শাখার আজীবন সদস্য। সংগঠনের প্রতিনিধি হিসেবে তিনি ছাত্র-ছাত্রীদেরকে নিয়ে বিভিন্ন দেশে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেছেন। লেখকের উল্লেখযোগ্য বইসমূহ- প্রজাপতি (ছড়া), ভূতের বাড়ি কয়েকদিন (গল্প), মা পাখি বাচ্চা পাখি (ছড়াগল্প), বনে এক বাঘ ছিল (গল্প), পরি বিবির সাথে দেখা হয়েছিল (গল্প), ভূতের বংশধর (গল্প), পিঁপড়েছানা ও দুষ্ট শেয়াল (গল্প), ভালো কাজের পুরস্কার (গল্প), সততার পুরস্কার (গল্প), ভালো বন্ধুদের গল্প (গল্প)।</p>
<p>তথ্যসূত্র : ২০২৬ সালে প্রকাশিত মাহবুবা ফারুক রচিত “গল্পে গল্পে শিখি” গ্রন্থ থেকে সংকলিত।</p>
<p>ভিডিও দেখুন-</p>
<p><iframe src="https://www.facebook.com/plugins/video.php?height=314&amp;href=https%3A%2F%2Fwww.facebook.com%2Freel%2F1446549156979018%2F&amp;show_text=false&amp;width=560&amp;t=0" allow="autoplay; clipboard-write; encrypted-media; picture-in-picture; web-share" allowfullscreen="true" frameborder="0" scrolling="no" style="border: none; overflow: hidden" height="314" width="100%"></iframe></p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.bongo-pedia.com/2630/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>রেজাউল রেজওয়ান(Rezaul Rizwan)</title>
		<link>https://www.bongo-pedia.com/2628</link>
		<comments>https://www.bongo-pedia.com/2628#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 28 Mar 2026 09:56:59 +0000</pubDate>
		<dc:creator>shafiqur</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[জীবনী]]></category>

		<category><![CDATA[Rezaul Rizwan]]></category>

		<category><![CDATA[কবি]]></category>

		<category><![CDATA[রাজার পাঠশালা]]></category>

		<category><![CDATA[রেজাউল রেজওয়ান]]></category>

		<category><![CDATA[লেখক]]></category>

		<category><![CDATA[সাহিত্যিক]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.bongo-pedia.com/2628</guid>
		<description><![CDATA[ 
রেজাউল রেজওয়ানের জন্ম ১৯৭৩ সালে মুন্সীগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার নয়াগাঁও গ্রামে। পরবর্তীতে মুন্সীগঞ্জ সদরের ভি.টি. শিলমন্দি গ্রামে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন।
লেখাপড়া
কে.কে.গভ.ইনস্টিটিউশন-মুন্সীগঞ্জ (এস.এস.সি), সরকারি হরগঙ্গা কলেজ-মুন্সীগঞ্জ (এইচ.এস.সি) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ঢাকা (বি.কম.) এবং ঢাকা কলেজ-ঢাকা থেকে বাণিজ্যে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।
রচিত গ্রন্থ
শিশুতোষ গল্পগ্রন্থ ‘সেদিন ছিল ঈদ’, অনুবাদ গ্রন্থ ‘দি ভ্যালি অব ফেয়ার-বিলষ্টোন ট্র্যাজিডি-শার্লক হোমসের গোয়েন্দা উপন্যাস&#8217;। ‘রাজার ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p> <img src="https://www.bongo-pedia.com/cloud/archives/2026/03/rezaul-thumbnail.jpg" alt="রেজাউল রেজওয়ান(Rezaul Rizwan)" /></p>
<p>রেজাউল রেজওয়ানের জন্ম ১৯৭৩ সালে মুন্সীগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার নয়াগাঁও গ্রামে। পরবর্তীতে মুন্সীগঞ্জ সদরের ভি.টি. শিলমন্দি গ্রামে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন।<br />
লেখাপড়া<br />
কে.কে.গভ.ইনস্টিটিউশন-মুন্সীগঞ্জ (এস.এস.সি), সরকারি হরগঙ্গা কলেজ-মুন্সীগঞ্জ (এইচ.এস.সি) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ঢাকা (বি.কম.) এবং ঢাকা কলেজ-ঢাকা থেকে বাণিজ্যে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।<br />
রচিত গ্রন্থ<br />
শিশুতোষ গল্পগ্রন্থ ‘সেদিন ছিল ঈদ’, অনুবাদ গ্রন্থ ‘দি ভ্যালি অব ফেয়ার-বিলষ্টোন ট্র্যাজিডি-শার্লক হোমসের গোয়েন্দা উপন্যাস&#8217;। ‘রাজার পাঠশালা&#8217; তাঁর তৃতীয় একক গল্পগ্রন্থ। এছাড়াও বাংলা একাডেমি অমর একুশে বইমেলাতে তাঁর ছয়টির মতো যৌথগ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। তিনি বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রিকার সাহিত্য বিভাগ ও সাময়িকীর নিয়মিত লেখক । তাঁর লেখনীতে প্রকৃতি, দেশপ্রেম, মানবিক মূল্যবোধ, শিশু সাহিত্যের প্রাধান্য লক্ষ্য করা যায়। জাতীয় পর্যায়ে ছড়াকার হিসেবেও তাঁর জনপ্রিয়তা রয়েছে।<br />
পুরস্কার ও সম্মাননা<br />
&#8216;চন্দ্ৰছাপ&#8217; শিশুসাহিত্য পদক - ২০২৩<br />
&#8216;দৈনিক মুন্সীগঞ্জের খবর&#8217; সাহিত্য পদক - ২০২৪<br />
&#8216;কাব্যকথা সাহিত্য পরিষদ&#8217; ছড়াসাহিত্য সম্মাননা - ২০২৪ &#8216;জনজীবন ফাউন্ডেশন&#8217; সাহিত্য সম্মাননা - ২০২৫</p>
<p>তথ্যসূত্র : ২০২৫ সালে প্রকাশিত রেজাউল রেজওয়ান রচিত “রাজার পাঠশালা ” গ্রন্থ থেকে সংকলিত।</p>
<p>ভিডিও দেখুন-</p>
<p><iframe src="https://www.facebook.com/plugins/video.php?height=314&amp;href=https%3A%2F%2Fwww.facebook.com%2Freel%2F917174484239826%2F&amp;show_text=false&amp;width=560&amp;t=0" allow="autoplay; clipboard-write; encrypted-media; picture-in-picture; web-share" allowfullscreen="true" frameborder="0" scrolling="no" style="border: none; overflow: hidden" height="314" width="100%"></iframe></p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.bongo-pedia.com/2628/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>হাসিনা মমতাজ(Hasina Momtaj)</title>
		<link>https://www.bongo-pedia.com/2626</link>
		<comments>https://www.bongo-pedia.com/2626#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 28 Mar 2026 09:27:39 +0000</pubDate>
		<dc:creator>shafiqur</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[জীবনী]]></category>

		<category><![CDATA[Hasina Momtaj]]></category>

		<category><![CDATA[কবি]]></category>

		<category><![CDATA[লেখক]]></category>

		<category><![CDATA[শেয়ালপন্ডিত ও বাঘমাম্‌ম]]></category>

		<category><![CDATA[সাহিত্যিক]]></category>

		<category><![CDATA[হাসিনা মমতাজ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.bongo-pedia.com/2626</guid>
		<description><![CDATA[
হাসিনা মমতাজ, জন্ম— ঢাকা মতিঝিলে। পৈত্রিক নিবাস- চাঁদপুর। পাঁচ ভাইবোনের মধ্যে দ্বিতীয় । বাবার চাকুরী সূত্রে শৈশব, কৈশোর ও যৌবন বাংলাদেশ ব্যাংক কলোনী, মতিঝিল, ঢাকায়। লেখাপড়া- বাংলাদেশ ব্যাংক স্কুল, মতিঝিল শেরেবাংলা কলেজ ও মাস্টার্স ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। সহজ সরল ও সাদামাটা জীবন যাপনে অভ্যস্ত। ছোটখাটো দুঃখ-কষ্ট চলার পথে কোন অনিয়ম তাকে খুব তাড়িত করে। সম্মুখে প্রতিবাদ ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.bongo-pedia.com/cloud/archives/2026/03/hasina-thumbnail.jpg" alt="হাসিনা মমতাজ(Hasina Momtaj)" /></p>
<p>হাসিনা মমতাজ, জন্ম— ঢাকা মতিঝিলে। পৈত্রিক নিবাস- চাঁদপুর। পাঁচ ভাইবোনের মধ্যে দ্বিতীয় । বাবার চাকুরী সূত্রে শৈশব, কৈশোর ও যৌবন বাংলাদেশ ব্যাংক কলোনী, মতিঝিল, ঢাকায়। লেখাপড়া- বাংলাদেশ ব্যাংক স্কুল, মতিঝিল শেরেবাংলা কলেজ ও মাস্টার্স ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। সহজ সরল ও সাদামাটা জীবন যাপনে অভ্যস্ত। ছোটখাটো দুঃখ-কষ্ট চলার পথে কোন অনিয়ম তাকে খুব তাড়িত করে। সম্মুখে প্রতিবাদ করতে না পারলেও লেখনির মাধ্যমে প্রকাশ করার চেষ্টা করেন। সেই জায়গা থেকে তাঁর লেখার পথ শুরু। ভালোবাসেন বেড়াতে, আবৃত্তি করতে ও বই পড়তে। আবৃত্তির টানে তিনি আছেন আবৃত্তি সংগঠন কণ্ঠশীলনে দেশ বিদেশের অনেক জায়গায় ঘুরে বেড়িয়েছেন। পড়তে ভালোবাসেন তাই তার ব্যাগে সর্বদা একটা না একটা বই রাখেন পড়ার জন্য । কর্মজীবনে তিনি একজন ব্যাংকার (বাংলাদেশ ব্যাংক)। যাপিত জীবনে তিনি এক কন্যা ও দুই পুত্র সন্তানের জননী। বিভিন্ন সংগঠন ও সামাজিক কর্মকান্ডে তিনি জড়িত আছেন। তার প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ ৩ টি ও গল্পগ্রন্থ ১ টি । আরও অনেক কাব্য, গল্প ও ভ্রমণ কাহিনী বাস্তবে রূপ দেয়ার অপেক্ষায় আছে।</p>
<p>তথ্যসূত্র : ২০২০ সালে প্রকাশিত ‘শেয়ালপন্ডিত ও বাঘমামা’ গ্রন্থ থেকে সংকলিত ।</p>
<p>ভিডিও দেখুন-</p>
<p><iframe src="https://www.facebook.com/plugins/video.php?height=314&amp;href=https%3A%2F%2Fwww.facebook.com%2Freel%2F26205313449089365%2F&amp;show_text=false&amp;width=560&amp;t=0" allow="autoplay; clipboard-write; encrypted-media; picture-in-picture; web-share" allowfullscreen="true" frameborder="0" scrolling="no" style="border: none; overflow: hidden" height="314" width="100%"></iframe></p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.bongo-pedia.com/2626/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>নাজমা মনি(Nazma Moni)</title>
		<link>https://www.bongo-pedia.com/2624</link>
		<comments>https://www.bongo-pedia.com/2624#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 28 Mar 2026 08:00:48 +0000</pubDate>
		<dc:creator>shafiqur</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[জীবনী]]></category>

		<category><![CDATA[Nazma Moni]]></category>

		<category><![CDATA[কবি]]></category>

		<category><![CDATA[গল্প]]></category>

		<category><![CDATA[জীবন সায়াহ্নে অন্তর্দৃষ্টি]]></category>

		<category><![CDATA[নাজমা মনি]]></category>

		<category><![CDATA[ভালোবাসার ঐচ্ছিক কাব্য]]></category>

		<category><![CDATA[লেখক]]></category>

		<category><![CDATA[সাহিত্যিক]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.bongo-pedia.com/2624</guid>
		<description><![CDATA[
পঞ্চগড় জেলা, তেতুলিয়া উপজেলার ভজনপুরের নয়াবাড়ি গ্রামে ৪ঠা এপ্রিল ১৯৯২ সালে জন্মগ্রহণ করেন কবি নাজমা মনি।
গ্রামের অনেকের কাছে স্নেহময় “নাজু” নামেও পরিচিত। পিতা মৃত মোঃ নূর আলী, তিনি ভজনপুর তহসিল অফিসে কর্মরত ছিলেন।
মাতা মোছাঃ হাসনা (হেনা) গৃহিণী ।
তিনি ভজনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করে ভজনপুর দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত অবস্থায় পাড়ি জমান ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.bongo-pedia.com/cloud/archives/2026/03/nazma-moni-thumbnail.jpg" alt="নাজমা মনি(Nazma Moni)" /></p>
<p>পঞ্চগড় জেলা, তেতুলিয়া উপজেলার ভজনপুরের নয়াবাড়ি গ্রামে ৪ঠা এপ্রিল ১৯৯২ সালে জন্মগ্রহণ করেন কবি নাজমা মনি।<br />
গ্রামের অনেকের কাছে স্নেহময় “নাজু” নামেও পরিচিত। পিতা মৃত মোঃ নূর আলী, তিনি ভজনপুর তহসিল অফিসে কর্মরত ছিলেন।<br />
মাতা মোছাঃ হাসনা (হেনা) গৃহিণী ।<br />
তিনি ভজনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করে ভজনপুর দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত অবস্থায় পাড়ি জমান ঢাকা শহরে।<br />
শিক্ষা জীবনে তিনি কৃষি বিজ্ঞানে স্নাতক ও স্নাতকোত্তরসম্পন্ন করেন।<br />
২০১৩ সালে তিনি এনটিআরসিএ - এর শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ২০১৬ সালে ইছর কান্দি উচ্চ বিদ্যালয় আশুলিয়া সাভার ঢাকাতে সহকারী শিক্ষক হিসেবে চুড়ান্ত সুপারিশ পেয়ে যোগদান করে কর্মজীবন শুরু করেন। শিক্ষকতা জীবনে তিনি একজন শিক্ষার্থী-বান্ধব শিক্ষক হিসেবেও সু-খ্যাতি অর্জন করেছেন।<br />
তিনি বাংলাদেশ গার্লস গাইড অ্যাসোসিয়েশনের একজন গাইডার হিসেবেও যুক্ত আছেন। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন শিল্প সংস্কৃতি সহ স্কুল ভিত্তিক যুব রেড ক্রিসেন্ট এর সঙ্গে যুক্ত আছেন। তিনি ২০২০ সালে বাংলাদেশ সরকারের আইসিটি ডিভিশনের লার্নিং এন্ড আর্নিং ডেভেলপমেন্ট প্রকল্প থেকে মেধাতালিকায় স্বীকৃতি স্বরূপ পুরস্কার অর্জন করেন। সৃষ্টিশীল কবি নাজমা মনি, শিক্ষকতার পাশাপাশি কবিতা, প্রবন্ধ, ছোট গল্প লেখালেখির সঙ্গে যুক্ত আছেন। কয়েকটি যৌথ সংকলনের পাশাপাশি, অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০২৫ এ তার একক সংকলনে কাব্যগ্রন্থ- “জীবন সায়াহ্নে অন্তর্দৃষ্টি” প্রকাশিত হয়েছে।</p>
<p>তথ্যসূত্র : ২০২৬ সালে প্রকাশিত নাজমা মনি রচিত &#8220;ভালোবাসার ঐচ্ছিক কাব্য &#8221; গ্রন্থ থেকে সংকলিত।</p>
<p>ভিডিও দেখুন-</p>
<p><iframe src="https://www.facebook.com/plugins/video.php?height=314&amp;href=https%3A%2F%2Fwww.facebook.com%2Freel%2F826941057128140%2F&amp;show_text=false&amp;width=560&amp;t=0" allow="autoplay; clipboard-write; encrypted-media; picture-in-picture; web-share" allowfullscreen="true" frameborder="0" scrolling="no" style="border: none; overflow: hidden" height="314" width="100%"></iframe></p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.bongo-pedia.com/2624/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>আফসানা ইয়েসমিন অর্থী(Afsana Yesmen Aurthi)</title>
		<link>https://www.bongo-pedia.com/2622</link>
		<comments>https://www.bongo-pedia.com/2622#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 28 Mar 2026 07:11:48 +0000</pubDate>
		<dc:creator>shafiqur</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[জীবনী]]></category>

		<category><![CDATA[Afsana Yesmen Aurthi]]></category>

		<category><![CDATA[আফসানা ইয়েসমিন অর্থী]]></category>

		<category><![CDATA[গবেষক]]></category>

		<category><![CDATA[শিশু পরামর্শক ও চাইল্ড কাউন্সেলর]]></category>

		<category><![CDATA[শিশুর বিকাশে আর্ট থেরাপি এন্ড ব্রেন জিম]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.bongo-pedia.com/2622</guid>
		<description><![CDATA[
আফসানা ইয়েসমিন অর্থী একজন গবেষক, শিশু পরামর্শক ও চাইল্ড কাউন্সেলর। তিনি University of Dhaka থেকে বিএসসি ও এমএস (১ম শ্রেণি) সম্পন্ন করেন এবং State University of Bangladesh থেকে পাবলিক হেলথে এমপিএইচ ডিগ্রি অর্জন করেন। এছাড়া তিনি ২০১৬ সালে Institute of Business Administration, University of Dhaka থেকে FNFM সম্পন্ন করেন।
তিনি ২০১৪ সাল থেকে অনলাইন ও অফলাইনে ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.bongo-pedia.com/cloud/archives/2026/03/aurthi-thumbnail.jpg" alt="আফসানা ইয়েসমিন অর্থী(Afsana Yesmen Aurthi)" /></p>
<p>আফসানা ইয়েসমিন অর্থী একজন গবেষক, শিশু পরামর্শক ও চাইল্ড কাউন্সেলর। তিনি University of Dhaka থেকে বিএসসি ও এমএস (১ম শ্রেণি) সম্পন্ন করেন এবং State University of Bangladesh থেকে পাবলিক হেলথে এমপিএইচ ডিগ্রি অর্জন করেন। এছাড়া তিনি ২০১৬ সালে Institute of Business Administration, University of Dhaka থেকে FNFM সম্পন্ন করেন।<br />
তিনি ২০১৪ সাল থেকে অনলাইন ও অফলাইনে চাইল্ড কাউন্সেলিং সেবা প্রদান করছেন। পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নের অংশ হিসেবে তিনি Life Spring Consultancy Limited থেকে ৬ মাসের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেন।<br />
ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে তার উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি রয়েছে। তিনি শিশু বিকাশ, প্যারেন্টিং ও মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক কনটেন্ট তৈরি করেন, যেখানে তার ফেসবুকে প্রায় ৫০ হাজার অনুসারী এবং YouTube-এ প্রায় ১৫ শ সাবস্ক্রাইবার রয়েছে।<br />
আন্তর্জাতিক গবেষণায় তার অবদান রয়েছে। ২০১৭ সালে তার গবেষণাপত্র “Average Length of Stay (ALS) of Under Five Years Hospitalized Children: A Studz on Bangladesh&#8221; প্রকাশিত হয় US Health Publication-এ। ২০২২ সালে তার আরেকটি গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয় Cinebuzz Times-এ।<br />
লেখালেখিতেও তিনি সক্রিয়। তার কাব্যগ্রন্থ “মেঘ প্রভাত বিন্দু” এবং শিশুদের জন্য রচিত “শিশুর ছন্দ খনন পাঠকসমাজে প্রশংসিত হয়েছে। ২০২৬ সালে প্রকাশিত “শিশু বিকাশে ব্রেন জিম এন্ড আর্ট থেরাপি” শিশুদের জ্ঞানীয়, আবেগীয় ও আবেগ নিয়ন্ত্রণ বিকাশে সহায়ক ভূমিকা রাখে।</p>
<p>তথ্যসূত্র: ২০২৬  সালে প্রকাশিত  ‘শিশুর বিকাশে আর্ট থেরাপি এন্ড ব্রেন জিম’ গ্রন্থ থেকে সংকলিত।<br />
ভিডিও দেখুন-</p>
<p><iframe src="https://www.facebook.com/plugins/video.php?height=314&amp;href=https%3A%2F%2Fwww.facebook.com%2Freel%2F1652161316233217%2F&amp;show_text=false&amp;width=560&amp;t=0" allow="autoplay; clipboard-write; encrypted-media; picture-in-picture; web-share" allowfullscreen="true" frameborder="0" scrolling="no" style="border: none; overflow: hidden" height="314" width="100%"></iframe></p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.bongo-pedia.com/2622/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>রোদেলা রাফাইয়া(Rodela Rafaiya)</title>
		<link>https://www.bongo-pedia.com/2620</link>
		<comments>https://www.bongo-pedia.com/2620#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 28 Mar 2026 06:32:45 +0000</pubDate>
		<dc:creator>shafiqur</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[জীবনী]]></category>

		<category><![CDATA[Rodela Rafaiya]]></category>

		<category><![CDATA[কবি]]></category>

		<category><![CDATA[গল্প]]></category>

		<category><![CDATA[গাঙচিলরা উড়ে যায় কিন্তু ফিরে আসে না]]></category>

		<category><![CDATA[রোদেলা রাফাইয়া]]></category>

		<category><![CDATA[লেখক]]></category>

		<category><![CDATA[সাহিত্যিক]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.bongo-pedia.com/2620</guid>
		<description><![CDATA[ 
বইয়ের ঘ্রাণ আর শব্দের মায়াজালে নিজেকে হারিয়ে ফেলতেই সবচেয়ে বেশি ভালোবাসেন রোদেলা রাফাইয়া । শৈশব থেকেই বিশ্বসাহিত্যের বিশাল জগতে বিচরণ এবং নিভৃতে বই পড়ার এক দুর্নিবার নেশা তাঁকে তাড়িত করে বেরিয়েছে। অন্যের লেখা গল্পের মুগ্ধতা আর নিজের মনের গহীনে জমানো অব্যক্ত আবেগগুলোকে মলাটবন্দি করার তাগিদ থেকেই তাঁর এই সাহিত্যযাত্রার শুরু।
&#8216;গাঙচিলরা উড়ে যায় কিন্তু ফিরে আসে ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p> <img src="https://www.bongo-pedia.com/cloud/archives/2026/03/rodela-thumbnail.jpg" alt="রোদেলা রাফাইয়া(Rodela Rafaiya)" /></p>
<p>বইয়ের ঘ্রাণ আর শব্দের মায়াজালে নিজেকে হারিয়ে ফেলতেই সবচেয়ে বেশি ভালোবাসেন রোদেলা রাফাইয়া । শৈশব থেকেই বিশ্বসাহিত্যের বিশাল জগতে বিচরণ এবং নিভৃতে বই পড়ার এক দুর্নিবার নেশা তাঁকে তাড়িত করে বেরিয়েছে। অন্যের লেখা গল্পের মুগ্ধতা আর নিজের মনের গহীনে জমানো অব্যক্ত আবেগগুলোকে মলাটবন্দি করার তাগিদ থেকেই তাঁর এই সাহিত্যযাত্রার শুরু।<br />
&#8216;গাঙচিলরা উড়ে যায় কিন্তু ফিরে আসে না&#8217; লেখকের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস। জীবনের রূঢ় বাস্তবতা আর না পাওয়ার হাহাকারকে তিনি এক সুতোয় গেঁথেছেন এই লেখনীতে। একজন আজন্ম পাঠক হিসেবে তিনি বিশ্বাস করেন, প্রতিটি মানুষের ভেতরেই একটা না বলা গল্প থাকে—যা কখনো সমুদ্রের ঢেউয়ের মতো আছড়ে পড়ে, আবার কখনো গাঙচিলের মতো অজানায় হারিয়ে যায়।<br />
প্রথম এই সৃষ্টির মাধ্যমে রোদেলা রাফাইয়া পাঠকদের হৃদয়ে এক চিলতে দীর্ঘশ্বাস আর ভালোবাসার জায়গা করে নিতে চান। শব্দের জাদুতে জীবনকে দেখার এক নতুন দৃষ্টিভঙ্গি উপহার দেওয়াই তাঁর মূল লক্ষ্য।</p>
<p><span style="box-sizing: border-box; font-weight: 700; color: #333333; font-family: SolaimanLipi, Arial, Helvetica, sans-serif"><font style="box-sizing: border-box" color="#0000ff">তথ্যসূত্র: </font></span><span style="color: #333333; font-family: SolaimanLipi, Arial, Helvetica, sans-serif">২০২৬  সালে প্রকাশিত  ‘</span>গাঙচিলরা উড়ে যায় কিন্তু ফিরে আসে না<span style="color: #333333; font-family: SolaimanLipi, Arial, Helvetica, sans-serif">’  গ্রন্থ থেকে সংকলিত।</span></p>
<p>ভিডিও দেখুন-</p>
<p><iframe src="https://www.facebook.com/plugins/video.php?height=314&amp;href=https%3A%2F%2Fwww.facebook.com%2Freel%2F976157792258450%2F&amp;show_text=false&amp;width=560&amp;t=0" allow="autoplay; clipboard-write; encrypted-media; picture-in-picture; web-share" allowfullscreen="true" frameborder="0" scrolling="no" style="border: none; overflow: hidden" height="314" width="100%"></iframe></p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.bongo-pedia.com/2620/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>তাহমিনা খাতুন (Tahmina Khatun)</title>
		<link>https://www.bongo-pedia.com/2618</link>
		<comments>https://www.bongo-pedia.com/2618#comments</comments>
		<pubDate>Fri, 27 Mar 2026 12:43:31 +0000</pubDate>
		<dc:creator>admin</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[জীবনী]]></category>

		<category><![CDATA[বই তালিকা]]></category>

		<category><![CDATA[আপন আলোয় একজন শ্রাবণকন্যা]]></category>

		<category><![CDATA[কবি]]></category>

		<category><![CDATA[বাংলা সাহিত্য]]></category>

		<category><![CDATA[বিখ্যাত ব্যক্তি]]></category>

		<category><![CDATA[বিখ্যাত লেখক]]></category>

		<category><![CDATA[সাহিত্যিক]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.bongo-pedia.com/2618</guid>
		<description><![CDATA[
তাহমিনা খাতুন (জন্ম ১৯৬৩)।
পেশায় সরকারি কর্মকর্তা এবং অঙ্গীকারে শিক্ষক। তাঁর শিক্ষাজীবন কেটেছে ময়মনসিংহের গৌরীপুরে, ঢাকায় এবং যুক্তরাজ্যের লিডস ইউনিভার্সিটিতে। পেশা হিসেবে তিনি শান্তিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে এবং কামরুন্নেসা সরকারি উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা দিয়ে শুরু করলেও পরবর্তিতে বিসিএস (শিক্ষা) ক্যাডারের আওতায় প্রাথমিক শিক্ষার পিটিআই-এর সুপারিনটেনডেন্ট, NAPE-এর বিশেষজ্ঞ, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে সহকারী পরিচালক, উপপরিচালক হিসেবে সরকারের বিভিন্ন ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.bongo-pedia.com/cloud/archives/2026/03/bongo-pediatahmina8-thumbnail.jpg" alt="তাহমিনা খাতুন" /></p>
<p>তাহমিনা খাতুন (জন্ম ১৯৬৩)।</p>
<p>পেশায় সরকারি কর্মকর্তা এবং অঙ্গীকারে শিক্ষক। তাঁর শিক্ষাজীবন কেটেছে ময়মনসিংহের গৌরীপুরে, ঢাকায় এবং যুক্তরাজ্যের লিডস ইউনিভার্সিটিতে। পেশা হিসেবে তিনি শান্তিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে এবং কামরুন্নেসা সরকারি উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা দিয়ে শুরু করলেও পরবর্তিতে বিসিএস (শিক্ষা) ক্যাডারের আওতায় প্রাথমিক শিক্ষার পিটিআই-এর সুপারিনটেনডেন্ট, NAPE-এর বিশেষজ্ঞ, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে সহকারী পরিচালক, উপপরিচালক হিসেবে সরকারের বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেন।  একমাত্র ছেলে ডা. মেহেদী ফারুক; একমাত্র কন্যা আর্টিটেক্ট নিশাত তাসনিম অরণী। বিভিন্ন পত্রপত্রিকা ও ম্যাগাজিনে তাঁর অসংখ্য লেখা ছাপা হয়েছে।<br />
বই আকারে &#8216;শ্রাবণকন্যা&#8217; তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ।</p>
<p>&#8216;আপন আলোয় একজন শ্রাবণকন্যা&#8217;- আত্মজীবনী গ্রন্থ ( দ্বিতীয় গ্রন্থ)  / তথ্যসূত্র।</p>
<p>লেখকের সঙ্গে বিডিসি চ্যানেলের সাক্ষাৎকার  দেখুন নিচের ভিডিওতেঃ</p>
<p><iframe src="https://www.facebook.com/plugins/video.php?height=314&amp;href=https%3A%2F%2Fwww.facebook.com%2Freel%2F1302601321917230%2F&amp;show_text=true&amp;width=560&amp;t=0" allow="autoplay; clipboard-write; encrypted-media; picture-in-picture; web-share" allowfullscreen="true" frameborder="0" scrolling="no" style="border: none; overflow: hidden" height="429" width="100%"></iframe></p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.bongo-pedia.com/2618/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>নাসির উদ্দিন শেখ ( Nasir Uddin Sheikh)</title>
		<link>https://www.bongo-pedia.com/2616</link>
		<comments>https://www.bongo-pedia.com/2616#comments</comments>
		<pubDate>Thu, 19 Mar 2026 08:49:21 +0000</pubDate>
		<dc:creator>admin</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[জীবনী]]></category>

		<category><![CDATA[]]></category>

		<category><![CDATA[nasir uddin sheikh]]></category>

		<category><![CDATA[নাসির উদ্দিন শেখ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.bongo-pedia.com/2616</guid>
		<description><![CDATA[ 
কবি নাসির উদ্দিন শেখ এর জন্ম ঢাকার বারিধারায় । তাঁর পিতা মরহুম শেখ রোকন উদ্দিন এবং মাতা জুলেখা বেগম। কিশোরবেলা থেকেই শেখ নাসির লেখালেখির সাথে যুক্ত । লেখালেখির পাশাপাশি তিনি একজন সংগীত শিল্পী ও গীতিকার। তার গাওয়া বহু গীত রেডিও টেলিভিশনে প্রচারিত হয়েছে। দেশের বরেণ্য সংগীতজ্ঞ আজাদ রহমানের কথা ও সুরে শেখ নাসিরের দুটি গানের ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p> <img src="https://www.bongo-pedia.com/cloud/archives/2026/03/bongo-pedia-thumbnail.jpg" alt="নাসির উদ্দিন শেখ" /></p>
<p>কবি নাসির উদ্দিন শেখ এর জন্ম ঢাকার বারিধারায় । তাঁর পিতা মরহুম শেখ রোকন উদ্দিন এবং মাতা জুলেখা বেগম। কিশোরবেলা থেকেই শেখ নাসির লেখালেখির সাথে যুক্ত । লেখালেখির পাশাপাশি তিনি একজন সংগীত শিল্পী ও গীতিকার। তার গাওয়া বহু গীত রেডিও টেলিভিশনে প্রচারিত হয়েছে। দেশের বরেণ্য সংগীতজ্ঞ আজাদ রহমানের কথা ও সুরে শেখ নাসিরের দুটি গানের অ্যালবামও বেরিয়েছে। লেখালেখির সুবাদে যুক্ত আছেন বিভিন্ন সাহিত্য সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে। এরমধ্যে সপ্তসুর সাংস্কৃতিক ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক তিনি। এছাড়া অনুপ্রাস জাতীয় কবি সংগঠন ও শুদ্ধ ধারার সাহিত্য সাংস্কৃতিক সংগঠন শুভজন&#8217;র সাথে জড়িত আছেন তিনি। বিভিন্ন সাহিত্য সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে যুক্ত থাকার কারণে দেশের বিভিন্ন স্থানে গান কবিতা পরিবেশন এবং সাহিত্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছেন তিনি। শিল্প-সাহিত্য চর্চায় তাকে সবসময় উৎসাহ যোগান তার সহধর্মিণী আয়েশা নাসির। কবি নাসিরের দুই কন্যা সন্তান নাসরিন নাহার নূপুর ও নারগিস নাহার আঁখিও সাংস্কৃতিক চর্চা করেন। পারিবারিকভাবে কবি শেখ নাসিরের পরিবারের সবাই শিল্প সংস্কৃতির সাথে সম্পৃক্ত।</p>
<p><iframe src="https://www.facebook.com/plugins/video.php?height=314&amp;href=https%3A%2F%2Fwww.facebook.com%2Freel%2F1606786017255368%2F&amp;show_text=true&amp;width=560&amp;t=0" allow="autoplay; clipboard-write; encrypted-media; picture-in-picture; web-share" allowfullscreen="true" frameborder="0" scrolling="no" style="border: none; overflow: hidden" height="429" width="100%"></iframe></p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.bongo-pedia.com/2616/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>রাকিব হাসান (Rakib Hasan )</title>
		<link>https://www.bongo-pedia.com/2614</link>
		<comments>https://www.bongo-pedia.com/2614#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 18 Mar 2026 14:54:11 +0000</pubDate>
		<dc:creator>admin</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[জীবনী]]></category>

		<category><![CDATA[সাক্ষাৎকার]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.bongo-pedia.com/2614</guid>
		<description><![CDATA[
রাকিব হাসান।
জন্ম ১৪ই ফেব্রুয়ারি হামদহ গ্রামে, ঝিনাইদহ সদর থানা ঝিনাইদহ। তিনি একজন অবসর প্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা। তাঁর দুই কন্যা। দুই কন্যাই শিল্পী ও কবি। দুই কন্যা রাজশাহী মেডিকেল কলেজে পড়ে । তাঁর স্ত্রী জেনিস ফারজানা হীরা। তিনি চতুর্থ শ্রেণীতেই কবিতা লেখা শুরু করেন। তিনি একজন গীতিকার, নাট্যকর, ছড়াকার, প্রবন্ধকার, ছোট গল্পের লেখক, উপন্যাসিক, অভিনয় শিল্পী ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.bongo-pedia.com/cloud/archives/2026/03/rakib-hasanpda12-thumbnail.jpg" alt="রাকিব হাসান" /></p>
<p>রাকিব হাসান।<br />
জন্ম ১৪ই ফেব্রুয়ারি হামদহ গ্রামে, ঝিনাইদহ সদর থানা ঝিনাইদহ। তিনি একজন অবসর প্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা। তাঁর দুই কন্যা। দুই কন্যাই শিল্পী ও কবি। দুই কন্যা রাজশাহী মেডিকেল কলেজে পড়ে । তাঁর স্ত্রী জেনিস ফারজানা হীরা। তিনি চতুর্থ শ্রেণীতেই কবিতা লেখা শুরু করেন। তিনি একজন গীতিকার, নাট্যকর, ছড়াকার, প্রবন্ধকার, ছোট গল্পের লেখক, উপন্যাসিক, অভিনয় শিল্পী হিসাবে পরিচিত ।  আন্তর্জাতিক কবি হিসাবেও পরিচিত এবং সাহিত্যের সকল শাখায় তাঁর পদচারণা রয়েছে। এই পর্যন্ত তাঁর ৪৫টি যৌথ কাব্য, একটি কাব্য উপন্যাস, একটি ছড়ার বই, দুইটি একক কাব্য প্রকাশিত হয়েছে। তিনি একজন সৃজনশীল লেখক ।</p>
<p>ভিডিওতে দেখুন তাঁর সাক্ষাৎকারঃ</p>
<p><iframe src="https://www.facebook.com/plugins/video.php?height=314&amp;href=https%3A%2F%2Fwww.facebook.com%2Freel%2F2422530264858975%2F&amp;show_text=true&amp;width=560&amp;t=0" allow="autoplay; clipboard-write; encrypted-media; picture-in-picture; web-share" allowfullscreen="true" frameborder="0" scrolling="no" style="border: none; overflow: hidden" height="429" width="100%"></iframe></p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.bongo-pedia.com/2614/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>ডাঃ মোজাম্মেল হক( Dr. Mozammel Hoque)</title>
		<link>https://www.bongo-pedia.com/2611</link>
		<comments>https://www.bongo-pedia.com/2611#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 17 Mar 2026 07:24:10 +0000</pubDate>
		<dc:creator>admin</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[জীবনী]]></category>

		<category><![CDATA[সাক্ষাৎকার]]></category>

		<category><![CDATA[Dr. Mozammel Hoque]]></category>

		<category><![CDATA[famous writer]]></category>

		<category><![CDATA[এ শহরে কেউ কারো নয়]]></category>

		<category><![CDATA[ডা. মোজাম্মেল হক]]></category>

		<category><![CDATA[বাংলাদেশি লেখক]]></category>

		<category><![CDATA[লেখকো চিকিৎসক]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.bongo-pedia.com/2611</guid>
		<description><![CDATA[ 
ডাঃ মোজাম্মেল হক- চিকিৎসক, লেখক ও জীবনবোধে উচ্ছ্বল এক মননশীল মানুষ। ১৯৯৫ সালের ৪ নভেম্বর কিশোরগঞ্জ জেলার কটিয়াদী থানার চান্দপুর মদীনাছপাড়া গ্রামে, তাঁর নানাবাড়িতে জন্ম। শৈশব কেটেছে গ্রামীণ সৌন্দর্যে ঘেরা সেই প্রিয় ভুবনে। পিতা মরহুম খাজা মিয়া ও মাতা মোমতাহেনা দুজনেই ছিলেন তাঁর শেকড় ও দৃঢ় বিশ্বাসের ভিত্তি।
গ্রামের স্কুলে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত পড়ার পর শহরে ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p> <img src="https://www.bongo-pedia.com/cloud/archives/2026/03/bongo-newsg65-thumbnail.jpg" alt="ডাঃ মোজাম্মেল হক" /></p>
<p>ডাঃ মোজাম্মেল হক- চিকিৎসক, লেখক ও জীবনবোধে উচ্ছ্বল এক মননশীল মানুষ। ১৯৯৫ সালের ৪ নভেম্বর কিশোরগঞ্জ জেলার কটিয়াদী থানার চান্দপুর মদীনাছপাড়া গ্রামে, তাঁর নানাবাড়িতে জন্ম। শৈশব কেটেছে গ্রামীণ সৌন্দর্যে ঘেরা সেই প্রিয় ভুবনে। পিতা মরহুম খাজা মিয়া ও মাতা মোমতাহেনা দুজনেই ছিলেন তাঁর শেকড় ও দৃঢ় বিশ্বাসের ভিত্তি।<br />
গ্রামের স্কুলে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত পড়ার পর শহরে শিক্ষাযাত্রা শুরু করেন কিশোরগঞ্জ শহরের আরজত আতরজান উচ্চ বিদ্যালয় থেকে। ছাত্রজীবনেই তিনি হয়ে ওঠেন বহুমাত্রিক প্রতিভার অধিকারি । বিতর্ক, আবৃত্তি, অভিনয়, বক্তৃতা ও সৃজনশীল লেখালেখিতে বারবার নিজের উপস্থিতি জানান দেন জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে। জাতীয় দেয়ালপত্রিকা উৎসবে ২০০৮ সালে অর্জন করেন তৃতীয় পুরস্কার। একাধিকবার বৃত্তি পেয়ে প্রমাণ করেছেন তাঁর একাডেমিক দক্ষতাও।<br />
লেখালেখির প্রতি ভালোবাসা জন্ম নেয় সপ্তম শ্রেণিতে। নবম শ্রেণিতে লেখা একটি কবিতার পাণ্ডুলিপি হারিয়ে যাওয়ার পর কিছুটা বিরতি এলেও, সেই অভিমানী লেখক সত্তা আবার জেগে ওঠে এক নতুন প্রেক্ষাপটে।<br />
এইচএসসি সম্পন্ন করেন মাইলস্টোন কলেজ, উত্তরা থেকে। এরপর কমিউনিটি বেজড মেডিকেল কলেজ বাংলাদেশ থেকে ২০১৯ সালের নভেম্বরে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেন। চিকিৎসাশাস্ত্রে সফলতার পাশাপাশি মানুষের জন্য কাজ করার চেতনায় তিনি নিজেকে গড়ে তোলেন নিরন্তর। প্রায় আড়াই বছর ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগে লেকচারার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন গাজীপুর সিটি মেডিকেল কলেজে। বর্তমানে তিনি উত্তরা আহসানিয়া মিশন ক্যান্সার ও জেনারেল হাসপাতালের ক্যান্সার বিভাগে মেডিকেল অফিসার হিসেবে কর্মরত।<br />
২০২০ সালের ৯ জুন তিনি বৈবাহিক জীবনে প্রবেশ করেন। তিন সন্তানের দুই ছেলে ও এক মেয়ের প্রাণবন্ত পৃথিবীই এখন তাঁর ব্যক্তিজীবনের কেন্দ্রবিন্দু।<br />
চিকিৎসাবিদ্যা তাঁর পেশা, আর সাহিত্য তাঁর আত্মা। চিকিৎসার ব্যস্ত সময়ের ফাঁকেও তিনি কলমে ফিরেছেন, নতুন করে নিজেকে প্রকাশ করতে-জীবনের অভিজ্ঞতা, অনুভব ও দর্শনকে শব্দের ভাষায় তুলে<br />
ধরতে।</p>
<p>তথ্যসূত্রঃ  ২০২৬ সালে প্রকাশিত ডা. মোজাম্মেল হক রচিত &#8216; এ শহরে কেউ কারো নয়&#8217;</p>
<p><iframe src="https://www.facebook.com/plugins/video.php?height=314&amp;href=https%3A%2F%2Fwww.facebook.com%2Freel%2F2183131159097488%2F&amp;show_text=true&amp;width=560&amp;t=0" width="100%" height="429" style="border: none; overflow: hidden" scrolling="no" frameborder="0" allowfullscreen="true" allow="autoplay; clipboard-write; encrypted-media; picture-in-picture; web-share"></iframe></p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.bongo-pedia.com/2611/feed</wfw:commentRss>
		</item>
	</channel>
</rss>
